রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ষষ্ঠ দিন চলছে আজ। কোনো মীমাংসা হয়নি আলোচনায়।
এই অবরোধের ফলে সাজেকের সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে রয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারী দুই সংগঠন সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন।
সোমবার বিকালে সাজেকের উজোবাজার এলাকায় সরকারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে সাজেক থেকে সন্তু লারমা সমর্থিত সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না পাওয়ায় সমঝোতা হয়নি বলে জানিয়েছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি।
এবার রাঙ্গামটি জেলার সাজেকের গঙ্গারাম এলাকায় জেএসএস সন্তু গ্রুপের হামলার পরিকল্পনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশন অবিলম্বে তাদেরকে সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা বিশেষ সূত্রে জানতে পেরেছি, জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা সাজেকের গঙ্গারাম এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করছে। আমরা এ পরিকল্পনার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’
সাজেকের জনগণকে সশস্ত্র সন্ত্রাস ও নিরাপত্তা হুমকি থেকে রক্ষা করতে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদেরকে সরিয়ে নেওয়ার কোন বিকল্প নেই বলে তারা মন্তব্য করেন।
তাঁরা আরো বলেন, ‘আমরা প্রায় দুই মাস ধরে জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু প্রশাসন বরাবরই আমাদের দাবি উপেক্ষা করে চলেছে। গঙ্গারাম এলাকায় যদি জেএসএস সন্তু গ্রুপের কোন হামলার ঘটনা ঘটে তাহলে এর দায়ভার সম্পূর্ণ প্রশাসনকে নিতে হবে।’
বিবৃতিতে আরো বলেন, সময় নষ্ট না করে দ্রুত জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নিয়ে সাজেকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানানো হয়।
