ঢাকা: ডেঙ্গু, হামের বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারছে না সরকার। প্রতিদিন মৃত্যু বাড়ছে।
ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। এই ডেঙ্গু মুহূর্তেই সব ধ্বংস করে দেয়।
তাই জ্বর, শরীর ব্যথা, চোখের উপর ব্যথা এই উপসর্গ দেখা দিলে প্রথম দিনেই টেস্ট করুন এবং চিকিৎসা শুরু করুন। খাওয়া-দাওয়া হলো আসল চিকিৎসা।
রোগী খেতে চাইবে না, স্বাভাবিক। মুখে ঘা হয়ে যাবে। তাই পরিবারের লোকজন দায়িত্ব নিয়ে জাউ ভাত বা নরম ভাত খাওয়াবেন। সাথে দৈনিক ৪-৫টা ডাব, মাল্টা সহ নাগালের মধ্যের সব ফলমূল খাওয়াতে হবে। মোটকথা, প্রচুর তরল খাওয়াতে হবে।
এই ডেঙ্গু হয়তো কোনো একসময় গিয়ে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কিন্তু যে তাজা প্রাণ চলে যাচ্ছে তাদের স্বজনরা সারাজীবন এটা বয়ে বেড়াবে।
ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত করতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও নিজের নিজের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নিতে হবে। এই মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
তিনি বলেন, প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট নিজের বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার কাজে ব্যয় করলে সম্মিলিতভাবে ঢাকা দক্ষিণকে ডেঙ্গুমুক্ত করা সম্ভব।
আজ, শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মুগদায় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে মশকের প্রজনন স্থল ধ্বংস, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ও জনসচেতনতা মূলক সমাবেশে তিনি কথাগুলো বলেন।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকারের নির্বাচনের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ঢাকাকে আগামীর প্রজন্ম ও ঢাকাবাসীর উপযোগী করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার প্রতি শনিবারকে সিটি কর্পোরেশনের ‘ক্লিনিং ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
তিনি বলেন, ঢাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে বাংলাদেশকে এবং বিশেষ করে ঢাকাকে ডেঙ্গুমুক্ত করা সম্ভব।
