রাঙামাটি: সাজেকে পাল্টাপাল্টি অবরোধে মানুষ তিতিবিরক্ত। অবরোধ নিয়ে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে।
দীঘিনালা‑সাজেক সড়কে আজ রবিবার অবরোধের উপস্থিতি বা শিথিলতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। পাল্টাপাল্টি অবরোধ কর্মসূচি এই জটিল পরিস্থিতির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এর আগে সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজ রবিবার অবরোধ শিথিল থাকবে।
অবরোধকে ১২ ঘণ্টা শিথিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
তবে গত মধ্যরাতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি’ নামে আরেকটি সংগঠন পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করে, এবং রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাজেক সড়কে পুনরায় অবরোধের আহ্বান জানায়। এই নতুন ঘোষণার ফলে পূর্বের শিথিল পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়।
এর ফলে আজ সকাল থেকে দীঘিনালা, বাঘাইছড়ি ও লংগদু সড়কে কোনো স্বাভাবিক যান চলাচল দেখা যায়নি।
এখন আবার সাজেক সড়ক দ্রুত উন্মুক্ত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার দাবিতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সড়ক অবরোধ করেছেন পরিবহন শ্রমিকেরা।
রবিবার সকাল থেকে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচি পালন করছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা।
এতে সড়কটিতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
অবরোধের ফলে সড়কের দুই পাশে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়েছে।
মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।
শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, সাজেক সড়ক দ্রুত উন্মুক্ত করে যান চলাচল স্বাভাবিক না করা হলে তাদের কর্মসূচি আরও জোরালো করা হবে।
টানা অবরোধে, সাজেকের অস্থিরতায় পড়ে
পরিবহন শ্রমিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
হোটেল, রিসোর্ট ও মোটেলসহ পর্যটন খাতের বহু মানুষ কর্মহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন, এবং তারা প্রশাসনের কার্যকর সমঝোতা বা জোরালো পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন।
