ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে নিজেই নিজের মনে সন্তুষ্ট। তিনি আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগছেন কিনা বলতে পারবো না।

দেশে বর্তমানে একটি চমৎকার গণতান্ত্রিক অবস্থা তৈরি হয়েছে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অথচ আমরা তো দেখছি দেশের আরো বেহাল অবস্থা হয়েছে। মব, খুন, ধর্ষণ এগুলো তো আছেই এবং এখন কালেমা পতাকায় চেয়ে গিয়েছে দেশ- এই জঙ্গীপনাকেই তিনি বোধহয় গণতন্ত্র বলতে চেয়েছেন!

অথচ চাইলেই সরকার এর বিহিত করতে পারে। কিন্তু আশ্চর্যজনক নীরব ওরা।

তিনি বলেছেন, আমরা অতীতের দিকে না তাকিয়ে নতুন এক ভবিষ্যৎ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

তিনি জানান, অতীতে অর্থ পাচারের কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার সাধারণ ও পিছিয়ে পড়া মানুষকে স্বস্তি দিতে এই বাজেটে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন দুপুরে পৌনে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম বাজেট ঘোষণার পর বাজারে কোনো ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি।’

জনগণকে স্বস্তি দেয়ার সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংসদ নেতা বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় মোট ৬১টি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে অন্যান্য বছরগুলোর মতো এই বছর বাজেটের আগে বা পরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি। আমরা কিছুটা হলেও দেশের সাধারণ জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *