ঢাকা: ৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে একদল বেআক্কেল বসেছে চেয়ারে। বেআক্কেলও তো ভালো, এরা হচ্ছে শয়তান।
জঙ্গী ইউনূস তো যা করার করেছে, এখন এই সরকার। এরা এখনো জামাতের গর্ভ থেকে বেরোতে পারেনি। বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছে।
রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের উদয় হচ্ছে।
এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে নিহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর ট্রেজারি থেকে ১৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উত্তোলনের গুরুতর বিষয়টি।
হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন সপ্তাহ আগে তিনি এই বিপুল অঙ্কের টাকা তুলেছিলেন বলে জানা গেছে।
তবে ঐ টাকা কোথায় গেলো? ঠিক কী কারণে তিনি এতগুলো টাকা তুলেছিলেন এবং পরবর্তীতে সেই টাকা কোথায় ব্যয় করলেন? নাকি কোথায় দিতে হয়েছে?সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই গণপতি চক্রবর্তী ট্রেজারি থেকে তাঁর প্রভিডেন্ট ফান্ডের ১৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার একটি চেক উত্তোলন করেন। এর প্রায় তিন সপ্তাহ পর, গত ২১ আগস্ট সকালে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রীয়মকে হত্যা করা হয়।
এতগুলো টাকা কি কোনো চাঁদাবাজদের দিয়েছেন বা দেয়ার কথা ছিলো? সেই টাকা কোথায় এখন?
রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমে জানান যে, গণপতি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অবসরে যান। প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমি যখন তাঁকে [প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলার] কারণ জিজ্ঞেস করি, তখন তিনি জানান যে, বাড়ির নিচতলার নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য তিনি এই অর্থ ব্যয় করবেন। এ ছাড়া তিনি উল্লেখ করেন যে, তাঁর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের বিষয়েও আলোচনা চলছে।”
যদিও বিষয়টি এখন তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) সনাতন চক্রবর্তী জানান, গণপতি চক্রবর্তী ওই টাকা কোন খাতে ব্যয় করেছেন, নাকি তা তাঁর কাছেই ছিল—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে।
তবে এই তদন্তে জড়িত পুলিশদের জনগণ অবিশ্বাস করতে শুরু করেছে। কারণ তাঁদের একটা কথাবার্তাও সাবলীল নয়। বহু অসঙ্গতির প্রমাণ ইতিমধ্যে পাওয়া গিয়েছে। এমনকি ছাদে মোটরের পানি দিয়ে আলামত নষ্ট করার ব্যবস্থাও করেছে এরাই।
এমনকি রংপুর পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদের গ্রেপ্তারির দাবিও উঠছে।
প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—২৯ জুলাই প্রভিডেন্ট ফান্ডের এই টাকা তোলার পর হত্যাকাণ্ডের আগ পর্যন্ত প্রায় তিন সপ্তাহে সেই অর্থের কী হয়েছিল?
তদন্তে কোনো কিচ্ছু স্পষ্ট নয়। চার সদস্য হত্যার পর বাড়ি থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকা ও কিছু মূল্যবান গয়না উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ।
কিন্তু ১৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার বিষয়টি?
