ঢাকা: প্রেমের টানে সব দেখছি বাংলাদেশের দিকেই ছুটে আসছে। সারা পৃথিবীর নানান দেশ থেকে ছেলে মেয়ে, বুড়ো বুড়ি সবাই ছুটছে। বলতেই হবে, আমাদের দেশ অন্য সবদিকে পিছিয়ে গেলেও প্রেমের দিকে কিন্তু এগিয়ে গেছে।
এমনকি স্বামী সন্তান, আবার স্ত্রী সন্তান রেখেও ছুটে আসছে প্রেমিক প্রেমিকারা! কী অদ্ভুত হয়েছে সময়!
এবার তো স্বামীকে প্রবাসে রেখে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের মুন্নি আক্তার জেসমিন নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। স্বামীকে তালাক না দিয়েই প্রেমিককে বিয়ে করলেন চার সন্তানের জননী। তবে তিনি বিদেশি নন। আমাদের দেশের মেয়ে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এই ঘটনায় প্রবাসী জাকির হোসেনের বোন মারুফা বেগম রায়পুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। থানায় মুন্নির বিরুদ্ধে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়েসহ ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
জাকির ইতালি প্রবাসী! জাকির উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের উত্তর রায়পুর এলাকার আলী হায়দারের ছেলে। অভিযুক্ত মুন্নি তার স্ত্রী।
তবে মুন্নি ইতালিতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
মুন্নি আক্তার জেসমিন বলেন, জাকির আমাকে ইতালিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। এজন্য অন্য একজনকে বিয়ে করেছি। আমি কোনো টাকা আত্মসাৎ করিনি। জাকিরকে তালাক দেওয়া ছাড়া বিয়ে করার বিষয় তিনি স্বীকার করেন।
মারুফার অভিযোগ ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২২ বছর আগে পারিবারিকভাবে জাকির আর মুন্নির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে চারটি ছেলেমেয়ে রয়েছে। ২০০৯ সালে মুন্নিকে ইতালি নিয়ে যান জাকির।
সেখানে মোবাইলে মুন্নি বাংলাদেশি একাধিক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। আবার বাংলাদেশের ছেলেরাও মুন্নিকে দেখে হয়রান হয়ে। এমন অবস্থা।
এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়।
প্রায় দুই মাস আগে মুন্নি তাঁর বাবার অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দেশে আসেন। এবং সঙ্গে তার দুই সন্তানকেও নিয়ে আসেন।
জানা যাচ্ছে, দেশে আসার পর থেকেই নাকি তিনি জাকিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।
পরে রায়পুরের বামনী ইউনিয়নের পূর্ব কাঞ্চনপুর এলাকার বাসিন্দা সৌরভ হোসেন চুট্টুকে বিয়ে করেন মুন্নি।
এবং অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, মুন্নি তার স্বামী জাকিরকে তালাক না দিয়েই পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করেন।
