ঢাকা: মাইলস্টোনের ঘটনা এমনি এমনি ঘটেনি। ইউনূস গং এর ষড়যন্ত্রে এতগুলো শিশু পড়াশোনা করতে এসে মারা গিয়েছে। তাদের মেরে ফেলা হয়েছে।
এমনকি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ইউনুস গং এর বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন পর্যন্ত এখন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
তারেক সরকার হচ্ছে আদতে ইউনুস ভার্সন ২। এদের কাজই হচ্ছে ইউনুসের সকল অপকর্মকে জায়েজ করা। এই মুচলেকা দিয়েই তারা আজ সরকার। অতএব দেশ ধ্বংসকারী ইউনুসের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা এরা কখনোই নেবে না।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (বিমান বিধ্বস্ত/অগ্নিকাণ্ড) দগ্ধ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার ক্ষেত্রেও চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ উঠেছে।
তাঁদের চিকিৎসা করাতে বাধা দিয়েছেন জঙ্গী শয়তান ইউনূস।
সে সময় একটাই নাম শোনা যাচ্ছিলো ডাক্তার সামন্ত লাল। তিনি কোথায়? তাঁর খোঁজ পড়ে গিয়েছিলো। কিন্তু সরকারের মুখে সদুত্তর ছিলো না যে এতবড় ঘটনার পরেও সামন্ত লাল সেন আসছেন না কেন? আসেননি কারণ তাঁকে আসতে দেয়া হয়নি।
অভিযোগ করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বার্ন বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনকে আহত শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে বাধা দিয়েছেন খোদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মানবিক চিকিৎসায় রাজনৈতিক বাধা! তিনি কোন শয়তানিটা বাদ রেখেছেন দেশটায়? সব করেছেন? মনে হয় এই দেশটার প্রতি তার জীবনের শয়তানি গুলো ঢেলে দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার পর দগ্ধ শিশুদের অবস্থা যখন অত্যন্ত সংকটাপন্ন এবং তাদের জীবন বাঁচাতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের জরুরি প্রয়োজন ছিল, তখন ডা. সামন্ত লাল সেন নিজে থেকে এগিয়ে এসে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
ডাক্তার সামন্ত এমনই মানুষ। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে তাঁকে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
জনমনে তীব্র ক্ষোভ এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, চিকিৎসার মতো একটি মানবিক বিষয়েও কি রাজনীতি হতে পারে? একজন বিশ্বখ্যাত চিকিৎসকের সেবা থেকে শিশুদের বঞ্চিত করার মাধ্যমে তাঁদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার পথিকৃৎ ও পুরোধা ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। দেশের প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার বিকাশ ও আধুনিকায়নে তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে।
সম্প্রতি ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটা বড় ডিজাস্টার হয়েছিল। আমাদের ট্রেনিং ফাইটার ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল মাইলস্টোন স্কুলের মধ্যে। ওই ঘটনাটা যখন ঘটেছিল প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সবাই ছুটাছুটি করছিল যে এটাকে কীভাবে ট্যাকেল করা যায়। প্রথমে আগুন নেভাতে হবে।
হাসপাতাল নিতে হবে। বার্ন ইউনিট অর্গানাইজ করতে হবে। অনেক ধরনের অনেক মানুষ অনেক ধরনের চেষ্টা করেছিল, আমাদের দলের থেকেও অনেক মানুষ গিয়েছিল সাহায্য করার জন্য।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, একজন ব্যক্তির ব্যাপারে আমি আজকে বলতে চাই।
এটার জন্য হয়ত আমাকে পরে অনেক গালি খেতে হবে।
কিন্তু সৎ সাহস নিয়ে কথাটা বলছি, আমাদের এক্স একজন ডাক্তার ছিলেন, উনি বোধহয় পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সময় মন্ত্রীও ছিলেন, উনাকে সবাই চেনেন। ডা. সামন্ত লাল সেনকে। তাঁকে সবাই গুরু হিসেবে চেনেন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আর বার্ন ইউনিটের জন্য। প্রথম বোধহয় বার্ন ইউনিট উনি অর্গানাইজ করেছিলেন বাংলাদেশে।
তিনি বলেন, ডা. সামন্ত লাল সেনের তরফ থেকেও মাইলস্টোনের ঘটনায় সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছিল। আর এই জিনিসটার মধ্যে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জড়িত ছিলাম। এজন্য আমি জানি।
উনি বলেছিলেন, আমি জানি যে একটা বিশাল দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সহযোগিতা করতে চাই। যেভাবেই হোক না কেন আমি সহযোগিতা করতে চাই। আমি এই মেসেজটা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সাড়া দিল না। সাহায্য নিল না। আমি জানি না, সাহায্য নিলে হয়ত কয়েকটা জান বেঁচে যেত। কিন্তু উনারা নেননি।
আমি আবারও বলছি, এটা ঘাড়ত্যারামি। বলেছি তো বলেছি, করব না। এই ধরনের অনেক ঘটনা আছে, যেখানে উনাদের একগুঁয়েমির কারণে আমাদেরকে বর্তমানে অনেক জায়গায় ভুগতে হচ্ছে।
এই যে এখন হামে প্রতিদিন শিশু মারা যাচ্ছে! হামে কোন শিশু মারা গেছে আগে কোনদিন শুনেছেন? হামের কারণে শিশুরা মারা যাচ্ছে না , মারা যাচ্ছে ইউনূসের লোভে।
ইউনিসেফের সাথে চুক্তি থাকলে চুরি করতে পারবে না তাই সে চুক্তি বাতিল করে ভ্যাকসিন কেনা বন্ধ করে ইউনূস।
ডাঃ সামন্ত লাল ওই সময় সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। পোড়া রুগীর চিকিৎসায় উনি এক কিংবদন্তি অথচ তাঁর সাহায্য নেয়া হয়নি। নিলে অনেকেই বেঁচে যেতো।
এই খুনের দায় কেবল ইউনূসের? ইউনূসের ক্ষমতা দখলের প্লট যারা তৈরি করেছিলেন তারা দায় এড়াবেন কী করে? আজ সেই খুনীকে ভিভিআইপি মর্যাদা দিয়ে তারেক নিজের চরিত্র উন্মোচন করেছেন।
