ঢাকা: সিলিন্ডার এর দাম হয়েছে দেড়গুণ,
তেলের দাম বাড়ছে, এখন বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের কথা তো আর আলোচনা করেই লাভ নেই। শেখ হাসিনার সময় উন্নয়নের কথা হতো, এখন মানুষ দুবেলা দুমুঠো ভাত কীভাবে মুখে তুলবে সেটাই একমাত্র চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার। দাম বাড়ানোর তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে। দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

পরিপ্রেক্ষিতে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এই প্রস্তাব আমলে নিয়ে কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, পাইকারি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলো।

পাইকারি এবং খুচরা দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি সঞ্চালন চার্জ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব এখন বিবেচনাধীন অবস্থায়।

আগামী ২০ ও ২১ মে অনুষ্ঠিত হবে গণশুনানি‌। এবং সব ঠিক থাকলে জুন থেকেই আরো বাড়তি বিদ্যুৎ বিল গুণতে হতে পারে ভোক্তাদের।

গণশুনানির মাধ্যমে যৌক্তিকতা যাচাই করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি ১.২০ টাকা (১৭ শতাংশ) থেকে ১.৫০ টাকা (২১ শতাংশ) দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

আর গ্রাহক পর্যায়ে ১.২৯ টাকা (১৪ দশমিক ২১ শতাংশ) থেকে ১.৬১ টাকা (১৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ) বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ৫ কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে, যার বড় অংশই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার। তবে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুতের খরচ বাড়লে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্য ও সেবার দামে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *