ঢাকা: পাকিস্তান জঙ্গী রাষ্ট্র এবং ভারত বাংলাদেশের চিরশত্রু দেশ। এটা বাংলাদেশ যত তাড়াতাড়ি বুঝবে তত মঙ্গল। তবে দেশের মঙ্গলের অনেক অংশ এখন দখল করে নিয়েছে পাকিরা।
দেশে অবস্থান করে, দেশে হাওয়া খাওয়া খেয়ে পাকিস্তানের গুণকীর্তন করা ব্যক্তি তো কম নেই এই বাংলাদেশে।
এবারো সেই একইরকম বিশ্বাসঘাতকতা করলো পেয়ারে পাকিস্তান। এখন এই দেশের সেনাপতিদের দেশপ্রেম জাগে না!
পাকিস্তান নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারে আপত্তি জানানোয় বাংলাদেশে আসতে পারছে না রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম।
বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা।
সব প্রস্তুতি থাকার পরও শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুুমতি না মেলায় নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে সেই বিমান পৌঁছতে পারেনি।
‘পাকিস্তান ক্লিয়ারেন্সটা দেয়নি’, রূপপুরের ইউরেনিয়াম নিয়ে যা বললেন বিজ্ঞানমন্ত্রী
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামবাহী চালান নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।
এই বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, ইউরেনিয়ামবাহী বিমানের পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রী বলেন, ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি আজারবাইজান, কাজাখস্তান ও পাকিস্তান হয়ে ভারতে আসার কথা ছিল। তবে পাকিস্তান থেকে প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চালানটি আসতে পারেনি।
কেন পাকিস্তান ক্লিয়ারেন্স দেয়নি, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাশিয়া নতুন করে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ইউরেনিয়ামের চালান পাঠানোর সময়সূচি দিয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রাশিয়ার। তাই সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে।
উল্লেখযোগ্য যে, রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম পরিবহনের নির্ধারিত রুটে কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারতের আকাশসীমা পড়ে।
জানা গিয়েছে, রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহনের জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২৩ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গত বুধবার রাতে ‘রসাটম’ জানায়, নির্ধারিত পথে বিমান যাওয়ার অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
