ঢাকা: গ্যাস নেই বিদ্যুৎ নেই সার নেই। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে তেলের দাম বাড়িয়েছে। জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে।

জনগণের টাকায় জামাত বিএনপি এনসিপির আব্বাদের খুশি করার জন্য আরো ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে। দাসত্ব একেই বলে।

এখন কারো মুখে কোনো রা নেই। দেশ আমেরিকার কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে – এখন স্লোগান ওঠে না ঢাকা না আমেরিকা!? এদের শয়তানি এখন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে মানুষ।

ইউনুস নামক দুপেয়ে শয়তান ক্ষমতা ছাড়ার একদিন আগে আমেরিকা থেকে মোট ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন করে। ৬ মাস ক্ষমতার স্বাদ না পেতেই আরেকজন ​জাতিসংঘে গিয়ে নতুন করে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে, ফলে বোয়িং কেনার চুক্তি দাঁড়িয়েছে মোট ২৫ টিতে।
​
​গড়ে একেকটি আমেরিকান বোয়িং উড়োজাহাজের দাম পড়ছে প্রায় ২৬ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটির দাম প্রায় ৩,২৪৩ কোটি টাকা।

সেই হিসেবে মোট ২৫টি আমেরিকান বোয়িং উড়োজাহাজের জন্য আনুমানিক সর্বমোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৬.৫ থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০,০০০ কোটি টাকার বেশি!

একদিকে ১০০ টাকার খাবার খেয়ে তারেক রহমান ভি আই পি বিমানের সিটে জাতিসংঘ যাত্রা করে।

অন্যদিকে টাকার অভাব দেখিয়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ, সারে গরীবদের ভাতে মেরে ৮০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে আমেরিকা থেকে বোয়িং নামক সাদাহাতি কেনার চুক্তি করে।

অথচ ইসলামের ঝান্ডাধারীরা এখন মুখে আঠা লাগিয়ে বসে আছে। এখন কোনো মার্চ টু যাত্রা হয় না।

আমেরিকার সাথে চুক্তির ফলাফল কত ভয়ানক হতে যাচ্ছে, জাতি সামনের দিন টের পাবে। ইউনুসের সাগরেদরা পুরো জাতিকে নর্দমায় এনে নামাতে বেশিদিন সময় নেবে না।

একটা চক্রের মধ্যে ঘুরছে বাংলাদেশ।

বোয়িংয়ের সঙ্গে একটি চুক্তি সই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

মাহদী আমিন বলেন, ‘আজ বোয়িংয়ের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়েছে। সেখানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরও ১১টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে চুক্তি করেছে।’

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে মার্কিন সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউ, আন্ডার সেক্রেটারি অব কমার্স উইলিয়াম কিমিট এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এ চাহিদা বিবেচনায় নিয়েই নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *