ঢাকা: দিল্লী না ঢাকা? শ্লোগান বৈষম্য বিরোধী, শিবিরের। কাঁচা মরিচের দাম যখন ৪০০ টাকা তখন দিল্লী! এক্ষেত্রে ভাতের থালায় হিন্দু ভারতীয় কাঁচা মরিচ নিতে কোনো সমস্যা নেই।

কাঁচা মরিচের দামের ঝালে কাঁদছিলো দেশের বাজার। আরো বাড়তো যদি ভারত থেকে আমদানি না হতো।

ভারত থেকে যখন কাঁচা মরিচ এলো তখন দাম একদম কমে গেলো। এর আগে চাল, পেঁয়াজও। সাথে পাইপ লাইনে ডিজেল।
বলুক তারা পাকিস্তান!

পাকিস্তান নিয়ে এত উন্মাদনা তারা কেন কম মূল্যে দিচ্ছে না। পাকিস্তান কিংবা চীন, থাইল্যান্ড থেকে আনতে কাঁচামরিচ অন্তত ৩০ দিন লাগবে। এই ৩০ দিন কি হবে? ৮ শ টাকা কেজি হবে।

দেখা গেছে ষ, ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানির পরদিনই সাতক্ষীরার বাজারে দেশি কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ১৫০ টাকা কমেছে।

একজন ক্রেতা তাঁর অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি লিখেছেন:

“দোকানদার মরিচের দাম বললো ৪০০ টাকা কেজি। হাতে এক পোয়া কাঁচামরিচ। দুই-তিনদিন পর একই বাজারে, একই দোকানদার। দাম ২৩০ প্রায় অর্ধেক।

জিজ্ঞেস করলাম, “দাম এতো কমলো কীভাবে ভাই?” এক শব্দে উত্তর এলো — “ভারত।”

দাম এত কমলো কেন? মরিচ বাজারে আশার কারণে?, নাকি শুধু “ভারত থেকে আসছে” এই একটা খবর কানে যাওয়ার কারণে?

হিসাবটা সহজ। যাদের কাছে মরিচ মজুদ ছিল, তারা বুঝে গিয়েছিল বড় চালান ঢুকছে, এখন বেশি দামে ধরে রাখলে কাল আরও কম দামে বেচতে হবে। তাই বাজারে মরিচ সত্যিকারভাবে পৌঁছানোর আগেই, শুধু খবরের কারণেই দাম কমে গেল।

এখন তো ভারতের মরিচ বাজারে এসে পড়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বাজারে দেখা যায়, দেশি কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে।

এবং ভারতীয় কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। তবে কিছু খুচরা বিক্রেতা তুলনামূলক বেশি দামে মরিচ বিক্রি করছেন।

ক্রেতারা বলছেন, কাঁচামরিচের দামে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *