ঢাকা: শুধুমাত্র তেল না। নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিসের দাম বেড়েছে। জিনিসের দাম তো আরো বেশী বাড়বে। এটা বাংলাদেশ, জিনিসের দাম বাড়ে কিন্তু কমে না।
একজন সাধারণ নাগরিক প্রশ্ন করেছেন, “আমার কোন দুর্নীতির বা অবৈধ ইনকাম নাই যে এই সব বিষয়ে কথা বলবনা বা চুপ করে বসে থাকবো। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিক আমাদের দেশেও বাড়বে। কিন্তু বিশ্ববাজারে যখন দাম কমবে তখন কি দাম কমবে?? নাকি আগের মত স্থায়ী থাকবে”?
বাজার সিন্ডিকেট ধরার দায়িত্ব সরকারের। সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে সেটা সরকারের ব্যর্থতা। আর এটার দায় স্বীকার করতে হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর এবার যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনকারী লঞ্চ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থা।
সংগঠনটির দাবি, প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৫০ পয়সা ভাড়া বাড়ানো হলে দূরত্বভেদে যাত্রীভাড়া ৫১ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন, রেলপথ ও সেতু বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে দেওয়া চিঠিতে এই দাবি জানানো হয়।
চিঠিতে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে বর্তমান কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ২ পয়সা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এবং পাশাপাশি যাত্রীপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ৩৫ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।
লঞ্চ মালিকদের দাবি, গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করেছে। এতে জ্বালানি ব্যয় প্রায় ১৮% বেড়েছে।
