ঢাকা: বিদ্যুৎ নেই, সবজি, ডিম, এলপিজি সব কিছুর দাম এত বাড়তি যে জনগণ অবসাদে ভুগছে। শুধু তো আগুন জ্বালালেন হবে না, বা শুধু সবজি কিনে বসে থাকলে হবে না। রান্না করে খেতে হবে, সন্তানের পড়ার খরচ আছে। সব কুলিয়ে ওঠা যে কতটা কষ্টকর হয়ে গেছে তা একমাত্র জানেন যিনি সংসার চালান।

সবজির দাম বাড়ছেই, শসা-বেগুন-বরবটির শতকের উপরে। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ডিমের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

নিত্যপণ্যের বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, চিনি ও ডিমের দর কিছুটা বেড়েছে। এখনও সংকট আছে বোতলজাত ভোজ্যতেলের।

বিক্রেতাদের দাবি, মাসখানেক ধরে ট্রাক ভাড়া বাড়তি। এ কারণে পণ্যের দর বেড়েছে।

সাতক্ষীরায় সিন্ডিকেট করে ডিম মজুত রেখে ডিমের দাম বৃদ্ধি করেছে পাইকারি ডিম ব্যবসায়ীরা! এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

এদিকে, এক সপ্তাহে মাঝারি চালের (বিআর-২৮ ও পাইজাম) কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। এ মানের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে। সপ্তাহখানেক আগে ছিল ৫৩ থেকে ৬০ টাকা।

চিনির কেজিতেও দর বেড়েছে পাঁচ টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ থেকে ১০৫ এবং প্যাকেট চিনির কেজি ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, দাম বেড়ে কাকরোল এখন সেঞ্চুরি পার করেছে। একইসঙ্গে তাল মিলিয়ে দামের ক্ষেত্রে সেঞ্চুরি পার করেছে শসা, বেগুন, বরবটি, বিটরুটসহ শিমও।

বাজারে গিয়ে অনেক ক্রেতাই বিপাকে পড়ছেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ানবাজার, কাপ্তানবাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি কাঁচাবাজারে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যেখানে খুচরা সবজির দোকানে কাঁকরোল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছিল সর্বোচ্চ ৭০ টাকায়, সেই কাকরোল বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১২০ টাকায়।

গত মাসে যে শসার দাম ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, সেই শসার দাম ১০০ থেকে ১১০ টাকা। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার বেশিতে।

প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৭০ টাকায়। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে।

দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩২০ টাকা এবং ফার্মের মুরগি আকার অনুযায়ী ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুম নেই এই কারণে কিছু কিছু সবজির দাম বেড়েছে। আবার সরবরাহ কম থাকায় কিছু সবজির দাম বাড়তি। সরবরাহ বাড়লে দাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *