ঢাকা: দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই বিশ্ব মোড়ল মার্কিনের পদে পদে বাধা এবং চাপ, তারপরেও উপেক্ষা করে বাস্তবায়ন হলো।
কম অত্যাচার তো যায়নি এর উপর দিয়ে। তারেক রহমানের সরকার কোনো নষ্টামিকেই নষ্ট করতে পারছেন না। তিনি শুধু বসে আছেন খোদার সার হয়ে।
যেখানে দেশ চালায় আমেরিকা সেখানে রাশিয়ার এতো বড় মেগা প্রকল্প কিভাবে সম্পূর্ণ হবে?
শুধু রাশিয়ার এই প্রকল্প ঠেকানোর জন্য বহু আগে থেকেই অনেক বার চেষ্টা করেছিল আমেরিকা। এখন ত্রুটি এবং পরবর্তীতে একটা ঘোষণা দিয়ে বন্ধ, এটাই তো ধান্দা।
৫ ই আগষ্টের পরে রাশিয়া থেকে আনা যন্ত্রাংশে পোর্টে আগুন, পেমেন্ট সিস্টেমে নিষেধাজ্ঞা, রুপিতে পেমেন্ট নেবে সেটাও নিষেধাজ্ঞা,এতো কিছুর পরেও রাশিয়া নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করছে, তখন এই ত্রুটি সেই ত্রুটি। এবং শেষমেশ আগুনে ভয়াবহ ক্ষতি।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাওনিয়ার বেজে গভীর রাতে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। এতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে অবস্থিত বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বায়েক) সার্ভার রুমসহ আশপাশের কয়েকটি কক্ষ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আগুনে কম্পিউটার, এসি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে।
তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, আগুন লেগেছিল তবে নাকি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি৷ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থাপনায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডের পর পাওনিয়ার বেজসহ আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এবং প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডের পর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) ও বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে।
এইদিকে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে এসব স্থাপনায় পানির সংকট ভয়াবহভাবে দেখা দিয়েছে।
জানা গিয়েছে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টা নাগাদ বায়েকের পাওনিয়ার বেজের সার্ভার রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়।
আগুন ছড়াতে সময় নেয় না। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে লম্বা সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এটাই কি প্রকৃত কারণ!?
