ঢাকা: দেশে কোন জিনিসের দাম কম আছে, সেটা হাতে গুণেও বের করা যাবে না। এমন পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন যে ঘরে আগুন জ্বালানোও মনে হচ্ছে কয়দিন পর আর হবে না।

এলপিজির দাম একবারে ২১২ টাকা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ নেই, ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং, তেল নেই। এখান থেকে ওখানে যেতে ভাড়া দ্বিগুণ- এভাবে একটা দেশ চলে?

জ্বালানী ও এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরে এবার বাস ভাড়া ৬৪% এবং লঞ্চ ভাড়া দেড়গুণ বৃদ্ধির প্রস্তাবনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সড়ক এবং নৌপথে যাত্রীদের ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

বাস ও লঞ্চ ভাড়া বৃদ্ধির আবেদন করেছেন মালিক সমিতির নেতারা। বাস মালিক সমিতির দেওয়া একটি খসড়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে রবিবার রাতে ভাড়া নির্ধারণ কমিটি বৈঠক করেছে।

অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ৩৬ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন (যাপ) সংস্থা।

চিন্তা করা যায়? মানুষের আয় বেড়েছে? জনগণ তো ফেসবুকের ওপর চলে না। অশ্লীল কন্টেন্ট বানিয়ে তো সবাই টাকা রোজগার করতে পারে না। দেশটা কোনদিকে যাচ্ছে?

এই গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো যদি সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তাহলে তো দেশটা যতটুকু বাকি আছে উচ্ছন্নে যাবে। অন্ধকারে ঢাকতে আর বেশি দেরি নেই।

ভাড়া/দাম যত বাড়বে, সিন্ডিকেট নির্ভর বিএনপির পকেট তত গরম হবে।

২০০১-২০০৬ সালে বিএনপির শাসনামল যারা দেখছেন তাদের কাছে এইটা স্বাভাবিক মনে হতে পারে।

দেশের বর্তমান সংকটের জন্য বিএনপির এই স্বার্থের রাজনীতিই দায়ী।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাস–মিনিবাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণে বৈঠক হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আজ সোমবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে এই বিষয়ে প্রস্তাব দেয়া হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

উল্লেখযোগ্য যে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্ধারিত নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অকটেন ১২০ টাকা থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *