ঢাকা: দেশের রপ্তানি আয়ের মূল চালিকা শক্তি তৈরি পোশাক খাতে মে মাসে নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। এখন যদি বলি এটা হঠাৎ করে হয়েছে, তাহলে ভুল। এটা হয়ে আসছে। এবং এর প্রভাব থাকবে।

ইপিবির তথ্যে দেখা যায়, সর্বশেষ মে মাসে তৈরি পোশাক খাত থেকে মোট আয় এসেছে ৩৫৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার।

এর মধ্যে নিটওয়্যার খাত থেকে ১৯৬ কোটি ৯৩ লাখ এবং ওভেন গার্মেন্টস থেকে ১৬২ কোটি ৪৮ লাখ ডলার রপ্তানি হয়েছে।

গত ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মে মাসে ৩৯২ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় এসেছিল। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় মে মাসে তৈরি পোশাক খাতে ৮ শতাংশের বেশি রপ্তানি কমেছে।

বুধবার (৩ জুন) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত ১১ মাসে দেশের মোট রপ্তানি আয় ২.৫৫ শতাংশ কমে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ কমে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

দেশটা পোশাক খাতে ধসে পড়েছে‌ শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। হাজার হাজার শ্রমিক রাতের মধ্যে বেকার হয়ে পড়েছেন। এখন পোশাক শিল্প বলা যায়, ধুঁকে ধুঁকে চলছে।

লজিস্টিক দুর্বলতা, ই-কমার্সে পিছিয়ে থাকা, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে ক্রেতাদের অনিশ্চয়তা, এগুলো কিন্তু একদিনে তৈরি হয়নি।

জঙ্গী ইউনূস তো যা ধ্বংস করার ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন, এবং ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর কী উন্নতি হয়েছে শিল্পের?

বিএনপি আর তাদের জামায়াত অংশীদার এই শিল্পকে কী দিয়েছে?

গার্মেন্ট মালিকদের পেছনে রাজনৈতিক ছত্রছায়া, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির বদলে দমনপীড়ন, আর দেশের ভাবমূর্তির বদলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিব্রত হওয়ার একের পর এক উপলক্ষ।

এমন লবঢঙ্গ দেশের প্রতি ইউরোপ ভরসা রাখবে কোন দুঃখে? একদিকে রপ্তানি কমছে সংখ্যায়। এর আসল ক্ষতিটা হচ্ছে লাখো গার্মেন্ট শ্রমিকের পেটে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *