ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ শিল্পাঞ্চলে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই ২০টি কারখানার শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সকালে শ্রমিকরা নিয়মমাফিক কাজে যোগ দিলেও দুপুরের খাবারের সময়ের মধ্যে ধাপে ধাপে তাঁদের ছুটি ঘোষণা করা হয়।
বিএনপি সরকার ১ কোটি কর্মসংস্থানের পরিবর্তে একের পর এক কারখানা বন্ধ হচ্ছে কেন? জনগণ তার জবাব চায়।
গ্যাস সংকটে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে শিল্পাঞ্চল। সারা দেশ সংকটে পড়েছে। বন্ধ হয়েছে ৯০০-এর বেশি টেক্সটাইল মিল।
সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেওয়া হলেও শিল্পাঞ্চলগুলোর পরিস্থিতি কোনো পরিবর্তন হয়নি।
তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের অর্ধেকেরও বেশি টেক্সটাইল ও সুতা উৎপাদনকারী মিল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ব্যবসায়ী ও শিল্প মালিকদের আশ্বস্ত করেছিলেন, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে।
কিন্তু প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন না থাকায় হতাশা ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে।
তীব্র গ্যাস সংকটের জন্য ময়মনসিংহের ২০টি শিল্পকারখানার শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেওয়ার পর দুপুরের খাবারের সময় পর্যন্ত ধাপে ধাপে তাদের ছুটি দেওয়া হয়। পরে বিকেলে শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শিল্প পুলিশ-৫-এর পুলিশ সুপার মো. আনছার উদ্দিন বলেন, সকাল থেকে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। গ্যাসের অভাবে শ্রমিকরা কারখানায় এলেও ২০টি কারখানার শ্রমিকদের দুপুরের খাবারের সময় পর্যন্ত ধাপে ধাপে ছুটি দিতে হয়েছে।
অন্য কারখানাগুলোতেও উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলে মোট ২৯৩টি শিল্পকারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ৯৯টি কারখানা গ্যাসনির্ভর। বর্তমানে এসব কারখানার সবগুলো গ্যাস সংকটে ভুগছে।
