ঢাকা: করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ আরো কতকগুলো ব্যবসায়ীক খাত।
সাধারণ জনগণের পরিস্থিতি কাহিল। আগামী ২০২৬–২০২৭ অর্থবছর থেকে বিভিন্ন ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আয়কর আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আওতায় থাকতে পারে—
১. মুদি মালামালের দোকান
২. টেইলার্সের দোকান
৩. কনফেকশনারি
৪. কসমেটিকসের দোকান
৫. প্লাস্টিক সামগ্রীর দোকান
৬. জুতার দোকান
৭. হার্ডওয়্যারের দোকান
৮. ডেকোরেটর ব্যবসা
৯. মোবাইল ফোনের দোকান
১০. সকল প্রকার বৈদ্যুতিক পণ্যের দোকান
১১. সকল প্রকার রঙের দোকান
১২. সকল প্রকার ফিটিংস ও স্যানিটারি দোকান
১৩. ঢেউটিনের দোকান
১৪. রড ও সিমেন্টের দোকান
১৫. সকল প্রকার ফার্নিচারের দোকান
১৬. বিউটি পার্লার
১৭. সকল প্রকার রেস্টুরেন্ট
১৮. সকল প্রকার মিষ্টির দোকান
এই সরকারের অধীনে দেশের সাধারণ জনগণ কোনভাবে সাধারণ জীবন যাপন করতে পারবে না।
এই সরকার দেশের জনগণকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
মুদি দোকান, প্রসাধনসামগ্রীর দোকান, রেস্তোরাঁ, ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসাসহ ১৭ ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ এক লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্থাপন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা।
অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরে মুদি দোকান, তৈরি পোশাক ও কাপড় বিক্রেতা, কনফেকশনারি, প্রসাধনসামগ্রীর দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলস, ঢেউটিন, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও রেস্তোরাঁকে সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ।
