ঢাকা: দুই মাস আগে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাজার, সমন্বয় ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা।

কিন্তু সেই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সামলাতে না সামলাতেই ফের লিটারপ্রতি ৫ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক দুঃসংবাদ।

কারণ জিনিসপত্রের দাম এমনিতেই যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যে যেভাবে পারে সেভাবে দাম রাখে, তার উপর জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে এই উছিলায় পণ্যের দাম আরো বাড়ানো হবে। ধনীদের কষ্ট হয় না। যত দাম হোক, বাজার যেমনই থাকুক, তারা ঠিক পারে। সব চাপ পড়ে সাধারণ জনতার ওপর।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে শুধু গাড়ির ভাড়া বাড়ে না; বাড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিবহন ব্যয়, কৃষি উৎপাদন খরচ এবং সার্বিক জীবনযাত্রার ব্যয়। এর বোঝা শেষ পর্যন্ত বহন করতে হয় সাধারণ মানুষকেই।

জনগণের আয় কি দুই মাসে দুইবার বেড়েছে? মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কি বেড়েছে? যদি না বেড়ে থাকে, তাহলে কেন বারবার মূল্যবৃদ্ধির চাপ জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে? বাজার তদারকি করে না সরকার, করলেও তাতে কোনো লাভ নেই।

ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য ফের বাড়লো সরকার। জুন মাসের জন্য পেট্রল-অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

রবিবার (৩১ মে) এক বার্তায় এই তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা,পেট্রল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকায় পুনর্নির্ধারণ করা হলো। যা আগামীকাল (১ জুন) থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিলে মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মে মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা ছিল।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *