ঢাকা: ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি মে মাসে। তবে একটা মাস না, সব মাসেই চলা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে জনগণের।
জ্বালানি তেলের দামের প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উভয় খাতে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আরও বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।
ব্যাগভর্তি টাকা, পকেটভর্তি বাজার- কথাটা বুঝলেন তো!? টাকা নিয়ে যাবেন ব্যাগে, বাজার আনবেন পকেটে!
দেশের মানুষ এখন বাজারে যায় আর ফেরে খালি হাতে। টাকা আছে, কিন্তু সেই টাকায় কিছু হয় না। চালের কেজি একশো টাকা ছুঁইছুঁই, মাছ-মাংস তো অনেক আগেই সাধারণ মানুষের থালা থেকে উধাও হয়ে গেছে।
এই যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? বাজার তদারকি কোথায়? জ্বালানির দাম বাড়ায় সব কিছুর দাম লাফিয়ে উঠেছে, আর মন্ত্রীরা বিবৃতি দিয়েই দায়িত্ব সেরে ফেলছেন।
মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ছেলেমেয়ের কোচিং বন্ধ করছে, চিকিৎসা করাতে পারছে না, বিনোদন তো কবেই গেছে।
দেশে বিগত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছে গত মে মাসে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর সর্বোচ্চ। এছাড়া টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে।
রবিবার (৭ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মে মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার।
প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।
গত ৩১ মে আবারও এক দফা দাম বাড়ানো হয়।
