ঢাকা: সামনে পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের খামারগুলোতে ব্যস্ততা তুঙ্গে। যশোরের বিভিন্ন খামারেও চলছে গরুর পরিচর্যার ব্যস্ততা।
এরমধ্যে গরু, মহিষের নামগুলো শুনলেই আঁতকে উঠতে হয়। আশ্চর্যকর সব নাম। তবে লোকে মজাও পায় অনেক।
অভয়নগর উপজেলার দুটি পারিবারিক খামারের বিশাল আকৃতির দুটি ষাঁড় এলাকায় মারাত্মক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একটির নাম হচ্ছে ‘নেইমার’, অন্যটির নাম ‘ঠাণ্ডা ভোলা’। আসলেই দারুণ নাম। এরকম নাম দেয়ার রীতি অনেক বছর ধরেই চলছে দেশে। এগুলো খারাপ কিছু নয়।
উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের ভাঙ্গা মশিয়াহাটি গ্রামের খামারি দেবু পাড়ের খামারে আছে নেইমার। দিব্যি আছে হেলেদুলে।
প্রায় ৩৫ মণ ওজনের ‘নেইমার’ নামের একটি ষাঁড়। মাথার সামনের চুলের বিশেষ আকৃতি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমারের স্টাইলের সঙ্গে মিল থাকায় শখ করে এই নাম রাখা হয়েছে বলে জানান খামারি।
দেবু পাড়ে বলেন, ফ্লেকভি জাতের ষাঁড়টির বর্তমান ওজন প্রায় ১৩০০ কেজি। প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে যত্ন করে গরুটিকে লালন-পালন করা হচ্ছে।
নেইমারের প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টাকার খাবার লাগে। খেতে দেয়া হয় খৈল, ভুষি, খড়, ভুট্টার গুঁড়া, সবুজ ঘাস ও খুদ চালের ভাত।
তবে নেইমার কিন্তু খুব শান্ত। কোনো উৎপাত নেই। মানুষজন তাকে দেখার জন্য ভিড় করছে।
খামারি দেবু পাড়ে বলেন, এখনও ভালো দাম পাইনি, তাই বিক্রি করিনি। আশা করছি ঈদের আগেই কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে পারব। যারা কিনতে আগ্রহী তারা বাড়িতে এসে গরু দেখে দাম আলোচনা করতে পারেন। আশা করা হচ্ছে ভালো দাম পাওয়া যাবে নেইমারের।
