ঢাকা: রাতারাতি দেশে গ্যাস সিলিন্ডারের ণদাম বেড়ে গেল ২৫২ টাকা!
বাংলাদেশের ১২ কেজি গ্যাসের সিলিন্ডারের মূল্য এভাবেই বাড়ল একলাফে অনেকটা।
রবিবার সন্ধ্যা থেকেই নতুন দাম লাগু হয়ে গিয়েছে। ফলে এখন ১ হাজার ৫৮৫ টাকার পরিবর্তে উপভোক্তাদের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকায়।
তবে বিষয়টা অনেক জটিল। বিএনপি সরকার জনগণের কথা চিন্তা করে না। জনগণের অভিযোগ, এই সরকার আগেও মানুষকে জ্বালিয়েছে, এখনো জ্বালাচ্ছে। জনগণের সরকার, জনগণের ভালোমন্দ কিছুটা বুঝে চলতো আওয়ামী লীগ সরকার।
যেভাবে হোক বাজারটাকে আওয়ামী লীগ ঠিক রেখেছিলো জনগণের কথা চিন্তা করে। তারেক রহমান সফর ছাড়া কিচ্ছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। রীতিমতো অসহায় তিনি।
এর মধ্যেই বিতর্ক দানা বেধেছে। অভিযোগ, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেই এই দাম বাড়ানো হচ্ছে।
বলা হচ্ছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দেওয়া তথ্য থেকেই জানা যাচ্ছে, এলপিজির আমদানিতে কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না। এমনকি, আগস্টের তুলনায় অনেক বেশি (প্রায় ১.৫৮ লাখ টন) এলপিজি আমদানি হয়েছিল।
কিন্তু এত আমদানির পরেও বাজারে অপ্রতুল করে দেয়া হয় গ্যাস। যা ‘কৃত্রিম সংকটে’র দিকেই নির্দেশ করছে।
আর গ্যাসের দাম যে এত বাড়লো, তারপরেও কিন্তু এই দামে ভোক্তারা কিনতে পারছেন না। তাদেরকে আরো টাকা গুণতে হচ্ছে। আবার এলপিজি যে সবসময় হাতের কাছে তাও না। বোঝেন এখন?
সরকারি দাম বাড়ানোর পরও বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনেক জায়গায় ১২ কেজির সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ কালোবাজারির উপর কালোবাজারি। জনগণের হাড়মজ্জা খেয়ে ফেলবে সরকার।
বিইআরসি জানিয়েছে, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা যাবে না। কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদের তো কথাই সার! ব্যবস্থা আর ব্যবস্থা!
