ঢাকা: আবারও সয়াবিন তেলের বাজারে অস্থিরতার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসনের তদারকির অভাবে চুনারুঘাট বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বোতলজাত সয়াবিন তেল।
এরকম অনেক বাজারের অবস্থাই বর্তমানে এটা। ক্রেতারা অস্থির হয়ে পড়ছেন দামের দশা দেখে।
চুনারুঘাট বাজারে পণ্যের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। ক্ষুব্ধ সাধারণ ক্রেতারা।
বোতলজাত ২লিটার সয়াবিন তেলের খুচরা মূল্য ৪০৮ টাকা।কিন্তু দোকানদার বিক্রি করছে ৪৪০টাকায়।
প্রশাসনের তদারকির অভাবে এবং ব্যবসায়ীদের নিজেদের মনগড়া দাম বৃদ্ধির ফলে চুনারুঘাট বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে।
বোতলজাত তেলের দাম নিয়ে চলছে চরম নৈরাজ্য। অতিরিক্ত দাম দেওয়ায় বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে প্যাকেটের গায়ের দাম বা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখা হচ্ছে।
বাজার মনিটরিং নেই, কিচ্ছু নেই দেশটায়।
এদিকে, কয়েকদিনের মাথায় আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে এরই মধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা।
অন্যদিকে, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। চক্রটির লক্ষ্য লিটারে আরও ৬ টাকা দাম বাড়ানো। এ জন্য মিলগেট থেকে এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কৌশলে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরকার কি সিন্ডিকেটের পা চেটে থাকে?
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর নয়াবাজারের ৬টি মুদি দোকানের ৪টিতে এক ও দুই লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ দেখা যায়নি। জিনজিরা কাঁচাবাজারের ৮টি মুদি দোকান ঘুরে ৩টিতে এক লিটারের বোতল সয়াবিন পাওয়া গেছে।
বাকি ২টিতে পাওয়া গেছে দুই লিটার তেল। তবে ওই সব দোকানে ৫ লিটারের তেলের সরবরাহ ছিল।
