ঢাকা: একটা নির্বাচিত সরকার দেশের ক্ষমতায় থাকার পরেও সেই পাকিস্তানের পা না চাটলে এদের ভাত আর হজম হয় না। যেই ইউনূস সেই তারেক রহমান! পার্থক্য আমরা দেখি না। জামাত পেছনে আছে, তারেক রহমানও জামাত শিবিরের হ্যাঁ তে হ্যাঁ, আর না তে না মেলাচ্ছে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ১৯৭১ সালের ইতিহাস ভুলে, মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশ-সরকার ঝুঁকেছিল ধর্ষক পাকিস্তানের দিকেই!
ইউনূসের সময় দেখেছি দেশের পরিস্থিতি। জঙ্গীর আনাগোনা চলেছেই।
তারপর নির্বাচন হলো, এবং ক্ষমতায় এলো বিএনপি। এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তবে এই তারেক রহমানের জমানাতেই এবার ঢাকা-ইসলামাবাদ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও একধাপ এগোতে চলেছে।
যেই রাজাকারকে গাল দিয়ে ভোট নিয়েছেন, সেই রাজাকারদের সাথে হাত মিলিয়ে এখন চলেন তারেক।
আর দুই দেশের মধ্যে নয়া বাণিজ্যিক সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হতে চলেছে। এমনটাই দাবি করছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’।
হবে আমদানি রপ্তানি। যেখানে পাকিস্তান একটা ভিখারি দেশ, ওরা জঙ্গী ছাড়া কি আর কিছু উৎপাদন করতে পারে? তারাই নাকি বাংলাদেশে খাদ্যপণ্য রপ্তানি করবে!?
জানা যাচ্ছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল এবং পাটের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও কৃষিপণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজ করতে সরকারি পর্যায়ে একটি বড় ধরনের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে চলেছে।
রিপোর্ট বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রকের অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশে চাল, মসুর ডাল, ছোলা, সার, ভোজ্যতেল এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে খুব আগ্রহী পাকিস্তান।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের শিল্প খাতে বাংলাদেশের উন্নত মানের পাট এবং পাটজাত পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। ফলে, বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানি করতে ইচ্ছুক পাকিস্তান।
পাকিস্তানের ট্রেডিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অসিম আজিম সিদ্দিকি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেন। তার নেতৃত্বে একটি দল বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।
