ঢাকা: এলপিজির দাম বাড়ল—চাপটা যাবে কার ওপর? যাচ্ছে কার ওপর?
১২ কেজির একটি সিলিন্ডারে এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৮৩৭ টাকা। নতুন দাম ৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর।
প্রশ্ন হলো, সাধারণ মানুষের আয় কি একই হারে বাড়ছে?
রান্নার গ্যাসের দাম বাড়লে শুধু সিলিন্ডারের খরচই বাড়ে না। পরিবহন, হোটেল-রেস্তোরাঁ, খাবারসহ নানা পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার চাপ শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে।
একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, অন্যদিকে সংসারের আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ।
এভাবে একের পর এক প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে থাকলে সীমিত আয়ের পরিবারগুলো যাবে কোথায়?
একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৫৩ পয়সা বাড়িয়ে করা হলো ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা। নতুন দর কার্যকর হয়েছে রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই।
তিন সপ্তাহ ধরে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে এলপিজির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভোক্তাদের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করেছে।
আজ থেকেই মহাশয়দের গলায় হয়তো শুনতে পাবেন: ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়ানোর ফলে জনগণের উপর এর কোন প্রভাবই পড়বে না।
রিজভী বলবেন, “জনগণের দাবির কারণে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে।”
টুক বলবেন, “পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশে এলপি গ্যাসের দাম সবচেয়ে কম।’
নয়ন বলবেন, “এলপি গ্যাসের দাম বাড়াতে বিএনপি সরকারের কোন ইচ্ছাই ছিলনা, কিন্তু জনগণের চাপাচাপিতে সরকার বাধ্য হয়ে বাড়িয়েছে।”
