ঢাকা: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব মারাত্মকভাবে পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে। ইতিমধ্যে প্যাকেটজাত তরল দুধের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম।
জিনিসের দাম বাড়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে।
ডিজেলসহ চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে সরকার।
বেশিরভাগ মানুষ বলছেন, সব কিছুর খরচ এতটা বেড়েছে যে, বেতনের সঙ্গে সামঞ্জস্য নেই। ফলে জীবনযাপনের হিসাব মেলাতে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের।
বেতন যত পান তার থেকে সংসারের খরচ বেশি। সামলাবেন কীভাবে?
প্রায় সব পণ্যের দাম লাগামহীন। যে যেভাবে পারছেন দাম বাড়াচ্ছেন। স্বেচ্ছাচার অবস্থা বাজারে। দোকানদারদের কিছু বলা যায় না। নিলে নাও, না নিলে নেই। এত বাটপারি কথাবার্তা শোনা যায়।
বাজারে এক ধরনের ‘লুটপাট’ চলছে বললেও ভুল বলা হবে না।
ক্রেতারা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহণ ব্যয় যতটা বেড়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি হারে বাড়ানো হচ্ছে পণ্যের দাম। একটা সুযোগ শুধু লাগে।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম এম আরিফ পাশা গণমাধ্যমে জানান, সপ্তাহের প্রতিদিন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বাজারে তদারকি করা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় তদারকি আরও জোরদার করা হয়েছে।
তদারকি জোর হলে বাজারের এই হাল কেন? আসলে কিছুই নেই। সব লুটপাট চলছে দেশে।
