ঢাকা: দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে আজ সাধারণ মানুষের জীবন দুঃসহ হয়ে উঠেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিদিন বাড়ছে, কিন্তু সেই তুলনায় বেতন কী বাড়ছে শ্রমিকদের?

সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্মচারীদের।

খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যয় বেড়েছে বহুগুণে।

রাজধানীতে গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। নিত্যপণ্যের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ৬০ টাকার নিচে কোনও সবজি কিনতে পারছেন না ক্রেতারা।

বিক্রেতারা দাবি করছেন, বৃষ্টি আর পরিবহণের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে পণ্যের দাম এত বেশি। এটা হতেই পারে, কারণ পরিবহন ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করবে কী উল্টো বাড়িয়ে রেখে দিয়েছে সরকার?

দেখা গেছে, শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ বিক্রেতাই ৮০০ টাকার নিচে বিক্রি করছেন না।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি কেজি ৩৮০ টাকা।

রায়সাহেব বাজারের মাংস বিক্রেতা মফিজ জানান, তেলের দাম বেড়েছে। ভাড়া আগের চেয়ে বেশি দিতে হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম আর কমবে না।

তাছাড়া মাংস মাছ ছাড়া তো বাঙালির চলে না, তাই এদিকেই বেশি ঝুঁকে!

তবে সবজির দামও যথেষ্ট বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৬০, করলা ৬০ থেকে ৬৫, পটল ৬০, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৭০, গাজর ৮০, ঢ্যাঁড়স ৬০, চিচিঙ্গা ও ঝিঙা ৭০, শসা ১০০-১১০, বরবটি ৮০, কাঁকরোল ১২০, বেগুন প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে না আছে বাজারে তদারকি, না আছে দেশে তদারকি!

সরকার যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে না আনে, তাহলে মধ্যবিত্তদের অবস্থা আরও খারাপ হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *