ঢাকা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে বাস্তবায়িত পদ্মা সেতু মেগা প্রকল্পের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত হয়েছে সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময়।
তবে এই জাতি তাঁর মর্ম রাখতে পারেনি। এখন বুঝতে পেরেছে। ঐ যে কথায় বলে না, বস্তার চাল বস্তাতেই আঁটে, মাঝখান থেকে বস্তাটা লাত্থি খেয়ে ফাটে।
জনগণ ভুগতে ভুগতে এখন এককথায় বলে, শেখ হাসিনা ছাড়া দেশ অচল।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৬ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতু থেকে মোট ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।
আর এই সময় পদ্মা সেতু দিয়ে ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও সরকারের অর্থ বিভাগের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ১ শতাংশ সুদে ৩৫ বছরে সুদসহ মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ পর্যন্ত আদায়কৃত টোল থেকে ১৬টি কিস্তিতে মোট ২ হাজার ৫১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে এবং কোনো কিস্তি বকেয়া নেই।
এ ছাড়াও মোট আদায়কৃত টোলের ১৫ শতাংশ ভ্যাট হিসেবে ৪৩৬ কোটি ৭ লাখ ৭৪ হাজার ২২১ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রাথমিক নকশা ও মাওয়া-জাজিরা অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন হয়, যা পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা ও নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
