ঢাকা: বিদ্যুৎহীনতায় মারাত্মক ভুগছে বাংলাদেশ। হাসপাতালের রোগীদের শ্বাসকষ্ট, ঘরে বয়স্ক, শিশুদের কষ্ট।

তবু ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকার, এটাই কি নতুন বাংলাদেশ?

মাসের পর মাস ধরে চলছে এরকম অবস্থা। এখন আরো বেশি হয়েছে সমস্যা।

২০২৪ সালের পর ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে, প্রতিশ্রুতি বদলেছে, কিন্তু বিদ্যুতের তার আর জেনারেশন ক্যাপাসিটি ফিরে গেছে ২০০১-০৬ সালের বিএনপি-জামাতের অপশাসনের সময়ে। তাই নয় কী বলুন?

এদিকে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) মেরামত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আপাতত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং অপেক্ষা করা ছাড়া এখন আর কোনো উপায় নেই।

ভাবুন অবস্থা।

তিনি বলেন, সংকট নিরসনে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।

জনগণের প্রশ্ন, চেষ্টাটা কোথায়? অন্ধকারে হচ্ছে?

মন্ত্রী বলেন, ‘এইটুকুই বলতে চাই, উই আর ওয়ার্কিং…এই ক্রাইসিসের সময় আসলে এখন আমার কিছু করার নাই। কারণ, এখন আমি গ্যাসও উত্তোলন করতে পারব না বা উইদাউট এফএসআরইউ, আমার যে গ্যাস আছে, সেটাও নামাতে পারব না।’

‘নেভিগেটিং বাংলাদেশ এনার্জি ক্রাইসিস: ইমিডিয়েট প্রায়োরিটিজ অ্যান্ড দ্য পাথ টু এ সাসটেইনেবল এনার্জি ফিউচার’ শীর্ষক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই কথাগুলো সাফ বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হয়ে আরো বলেন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার কারণেই চলমান সংকট শুরু হয়েছিল। যদিও বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে সরাসরি কিছু করার সুযোগ সীমাবদ্ধ।

কারণ, নতুন করে হঠাৎ গ্যাস উত্তোলন করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি এফএসআরইউ সচল না থাকা পর্যন্ত বিদ্যমান গ্যাস খালাস করে জাতীয় গ্রিডে দেওয়াও সম্ভব নয়।

বিদেশি প্রকৌশলীরা যতক্ষণ পর্যন্ত এফএসআরইউ মেরামত শেষ না করছেন, ততক্ষণ অপেক্ষা করা ছাড়া কোনো গতি নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *