ঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড-এআরটি) সই হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর একতরফাভাবে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশকে বানানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দাস।

প্রতারণা করেছেন জঙ্গী ইউনূস। অথচ তাঁর পরেও একটা আওয়াজ নেই কারো মুখে। সবাই মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট জনস্বার্থে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

আজ, সোমবার (৪ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মাইদুল ইসলাম পলক ও সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেছেন।

রিট আবেদনে সাফ বলা হয়, চুক্তিটি সুস্পষ্টভাবে অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, চুক্তিটির আলোচনা ও সম্পাদনের ক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ রক্ষায় বিবাদীরা ব্যর্থ হয়েছে।

রিটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ দায়, প্রতিকূল শুল্ক ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রক স্বায়ত্তশাসনের অবক্ষয়, দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশগত সুরক্ষার সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত উদ্বেগ উত্থাপন করে সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও রিটে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে।

হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশিস রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *