সুনামগঞ্জ: ধর্ষণ ভাইরাসে আক্রান্ত সারা দেশ। কন্যা শিশুর জীবন আজ ঘরেও নিরাপদ না, বাইরেও নিরাপদ না। ভীষণ উচ্ছৃঙ্খল হয়েছে এই সমাজ। এত শাস্তির কথা, ভয়, প্রতিবাদ তারপরেও ধর্ষণ কমে না।
এবার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে মুখ চেপে এবং গলায় কাঁচি ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
ধর্ষণের সেই দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে তার অপর এক সহযোগী। এই পৈশাচিক ঘটনায় সুফাইল মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আসামিরা হলো, শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে মো. সুফাইল মিয়া (২০) এবং একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সায়েক মিয়া (২০)।
২০ বছরে পড়াশুনাই শেষ হয় না মানুষের, সেখানে যুব প্রজন্ম সবচেয়ে খারাপ দিকে ঝুঁকছে। নেশা, ভাঙ, ধর্ষণ, ড্রাগস এইসব করে বেড়ায়।
জানা গিয়েছে, গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি তাদের বাড়ির পেছনের পুকুরে নিজেদের হাঁস খুঁজতে গিয়েছিলো।
এ সময় সেখানে ওঁত পেতে থাকা সুফাইল মিয়া পেছন থেকে শিশুটির মুখ চেপে ধরে। গলায় কাঁচি ঠেকিয়ে চিৎকার না করতে বলে।
তারপর সুফাইল মিয়া শিশুটিকে ধর্ষণ করে। তার সহযোগী সায়েক মিয়া নিজের মোবাইলে ধর্ষণের ঘটনাটি রেকর্ড করে।
শিশুটি তার সাথে হওয়া অপরাধের কথা তার পরিবারকে জানায়।
শাল্লা থানার ওসি মো. রোকিবুজ্জামান জানান, ঘটনাটি জানার পর পর শিশুকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং প্রধান আসামি সুফাইল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক অভিযুক্ত সায়েক মিয়াকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
