ঢাকা: পোশাক শ্রমিকদের ওপর পুলিশ প্রশাসনের আক্রমণ একদম ন্যাক্কারজনক ঘটনা। তেমনি আন্দোলনের ভিতরে ঢুকে জামাত যে ননী খাওয়ার চেষ্টা করেছে, সহিংসতা ঘটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে- সেটাও বাস্তব। তবে তাদের ষড়যন্ত্র টিকে না।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন শুরু হয়েছে ১ মাসেরও বেশি সময় আগে।
তখন সরকার চোখে কাঠের চশমা পরে ছিলো।

এখন যখন আন্দোলন অনেক বড়ো হয়ে গেছে এখন তারা শ্রমিকনেতাদের নিয়ে কমিটি গঠন করছেন।

মালিক পক্ষের কথা বিবেচনা করে বেতন বাড়লে সর্বোচ্চ ৫-৬ হাজার বেড়ে ১৮,৫০০ টাকা হতে পারে। এমনটাই ধারণা।

মূলত, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের উর্ধ্বগতির প্রভাবে সাধারণ মানুষ তিতিবিরক্ত।

তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো আগামি মাস তথা ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে আগামি বছর জানুয়ারি থেকে। ফলে জানুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই বাড়তি অর্থ পাওয়ার কথা রয়েছে শ্রমিকদের।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে একমত হন।

সভা শেষে বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী জানান, নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হলে জানুয়ারির বেতনের সঙ্গে শ্রমিকরা বর্ধিত অর্থ পাবেন।

শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার বলেন, আগামী সপ্তাহে বোর্ডের পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে শ্রমিক ও মালিকপক্ষ নিজেদের দাবি ও প্রস্তাব লিখিতভাবে উপস্থাপন করবে। ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি তা কার্যকরের বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। জানুয়ারি থেকে শ্রমিকরা নতুন হারে বেতন পাবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *