ঢাকা: মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি।

কিন্তু তিনি যখন আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন, তখন একের পর এক ঘটেছিল অপ্রত্যাশিত ঘটনা।

পরীমনির মুখের ভাষা যে অশ্লীল তার প্রমাণ তো আমরা আগেও পেয়েছি। ভীষণ অশ্লীলভাবে কথা বলেন তিনি।

‘তুই আমার গায়ে হাত দিসোস কেন বাই*** সাংবিদকতা সো*** আমার লগে? এভাবে হাজার মানুষের সামনে গালিগালাজ করছিলেন অভিনেত্রী পরীমনি৷ কী বোঝালেন তিনি?

পরীমনি বলেছেন সাংবাদিক নাকি তার গায়ে হাত দিয়েছেন৷ যদিও ভিডিওতে এমন কিছুই দেখা যায়নি৷ আর যদি করেও থাকেন এটা অবশ্যই অন্যায় সেটার জন্যে পুলিশে দেন কিন্তু প্রকাশ্যে গালাগালি করা একজন পাবলিক ফিগারের শোভা পায়?

আসলে পরীমনির বিষয়টা নিয়ে অনেকেই কথা বলছেন। পরীমনি শুধু আজকে না এর আগেও তাঁর লাইভে এমনকি পোস্টে গালাগালি করতেন। অথচ তিনি নাকি অনেকের আইডল।

পুরনো একটা মামলার জামিন নিতে আদালতে এসেছিলেন ১০ বডিগার্ড নিয়া।

এরপর সাংবাদিকদের ফোন কেড়ে নিয়েছেন পরীমনির বডিগার্ডরা। এমনকি তাদের গায়ে হাত ও দিয়েছেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে অকথ্য ভাষা ব্যবহার, মাইক্রোফোন টেনে নেওয়া থেকে শুরু করে এক সংবাদকর্মীকে খামচি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু তাই নয়, পরীমনির দেহরক্ষীদের ধাক্কায় আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে গেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এইসব ঘটনা ঘটে।

ঐ ভিডিওতে ওই সাংবাদিককে মোটেও তার গায়ে টাচ করতে দেখা যায়নি। তা না করা সত্ত্বেও পরীমনি কেনো সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় বকাঝকা দিলেন?

অথচ যা দেখা যাচ্ছে , তাঁর নিজেরই বডিগার্ড তাঁর শরীরে হাত দেন। অথচ দোষ দিলেন এক নিরীহ অসহায় সাংবাদিককে। যার কিনা একটা হাতই নাই, আর আরেক হাতে ছিল মোবাইল।

ওই সাংবাদিকের পরিচিতজনেরা বলছেন, তার একটি হাত ছোটবেলা থেকেই অকার্যকর। অন্য হাত দিয়ে তিনি কোনোমতে ক্যামেরা-ট্রাইপড নিয়ে কাজ করেন। ফলে পরীর গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগটিও ‘যুক্তিহীন’ বলে দাবি তাদের।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *