ঢাকা: দেশের সনাতনীরাই কেন আত্মহত্যা করছে শুধু? এগুলো কি আদৌ আত্মহত্যা, বা আত্মহত্যার চেষ্টা? নাকি পেছন আছে জঙ্গী, পাকি, হিন্দুবিদ্বেষীদের প্ররোচনা?
এত ছোট ছোট সম্ভাবনাময় স্কুল কলেজের ছাত্র, চাকুরিজীবী, অবসরপ্রাপ্ত এরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেবে এমনি এমনি? গণপতি চক্রবর্তীর ঘটনা? তারপর কুনাল চ্যাটার্জি? এগুলো কী ঘটছে দেশে? দেখে দেখে সব হিন্দু? হিন্দু নিধন চলছে এককথায়।
এবার অত্যন্ত মর্মান্তিক একটি ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর মালিবাগে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন হিন্দু শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহুতল ভবন থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম অমিত ঘোষ এবং তার বয়স মাত্র ষোলো বছর। তিনি কলেজটির দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিলেন।
জীবন তো শুরুই হয়নি, এর মধ্যেই এই ঘটনা কেন? কে বা কারা আছে এর পেছনে? এটা নিছক দুর্ঘটনা হতেই পারে না!
গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে শ্যামলীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তাকে সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে অর্থাৎ আইসিইউতে রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাটির পর থেকেই এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত কিছু, তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
শিক্ষকদের একটি বড় অংশ দাবি করছেন যে ওই শিক্ষার্থী স্বেচ্ছায় ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েছেন।
এদিকে, আরো একটি বিষয় হলো – অমিতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক প্রোফাইলের তথ্য।
অমিতের ফেসবুক বায়োতে তার জন্মতারিখের পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট মৃত্যুর তারিখও উল্লেখ করা ছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর।
তবে এটি তিনিই লিখেছেন এমন তো কোনো নিশ্চয়তা নেই। হিন্দুদের ফেসবুক হ্যাক করে অনেক কাণ্ড ঘটানো হয়।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে যে আহতের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন এবং তার মুখ ও মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। হয়তো কেউ তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে, আসলে এই দেশে কোনো ঘটনার তদন্ত স্বচ্ছ হয় না। দোষী, খুনীকে বাঁচানোর পাঁয়তারা চলছে।
