ঢাকা: বিএনপি সরকার আদতে করছে কী!? ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর স্বীকারোক্তি দিয়েও এখনো নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী খোলা হাওয়ায় বিচরণ করছে!?
তিনি নিজে স্বীকার করেছেন সারা ঢাকা শহরে এই ডার্বি নাসির ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন।
ককটেল নাসিরের জনসম্মুখে থাকাটা বিপজ্জনক, তার জন্য জেলখানাটা হচ্ছে উত্তম জায়গা। দেশের সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে হলে তাঁর বিচার করা ছাড়া উপায় আছে?
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বেরিয়ে আসবে কারা বাসে আগুন ও ককটেল হামলা করছে। সরাসলি মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে এই কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপি বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ-এই দুই বিরোধী দলকে সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে। এই বিরোধীদল আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায়। যেমন শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে ফিরতে চান।
তিনি বলেন, দেশকে অশান্ত করতে জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল ফোটাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, এনসিপির এক নেতা স্বীকার করেছেন, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। একই দলের এক নেতা দাবি করেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল আর ফুটবে না।
