ঢাকা: এ পর্যন্ত ৪/৫বার নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর হামলা হলো, অথচ তাঁর শরীরে একটা আঁচড়ও পড়লো না, অথচ অভিযোগ আসে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর হামলা হয়েছে।
যে জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে, তাঁর ওপর হামলা হবে? ককটেলেই তো উড়িয়ে দেবেন তিনি!
এই আশ্চর্যজনক জিনিসটা দেশবাসী দেখছে।
বার বার পাটোয়ারীর উপর হামলা হয়,যদিও তাতে নাসিরউদ্দিনের কিছুই হয় না৷ গাড়ির কয়েকটা কাচ ভাঙে আর সফরসঙ্গীদের সাথে হাতাহাতি সর্বোচ্চ৷
দেশবাসী বলছে না হামলা হোক, কিন্তু নাসিরুদ্দিনের অভিযোগের কথা বলছে আরকি!
ককটেল নাসির নিজে স্বীকার করেছিলেন ককটেল বিস্ফোরণ করছেন, অথচ প্রশাসন তাঁকে গ্রেপ্তারের কোনো চেষ্টাই করেনি। কোনো বিচার নেই।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ঝিনাইদহ-হবিগঞ্জের পর এবার কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভাইয়ের ওপর বিএনপির হামলা।’
এর মধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তার নেতাকর্মীদের ‘ধর, ধর’ বলে তাড়া করছেন কিছু লোক।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
রবিবার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই দাবি করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গতকাল থেকে কুষ্টিয়ায় ছিল। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরিও করেছে। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কেউ তার সঙ্গে কোনো ঝামেলায় যায়নি।
আজকে রাতে সে লালন শাহের মাজারে গেছে। তার সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীরাও ছিল। সেখানে গিয়ে মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে বেশ সময় কাটিয়েছে। চলে আসার সময় কতিপয় ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। সেখান থেকে একটি গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
তিনি আরও লেখেন, ‘এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি কারও নখদর্পণে ছিল না। এমনকি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে লালন শাহের মাজারে গেছে, এটাও প্রশাসনের কাউকে অবহিত করেননি।
একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন? যাই হোক, ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত হয়। কিন্তু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তায় খানিকটা এসে, গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুতবেগে স্থান ত্যাগ করে।
ঝিনাইদহের ঘটনায় যেখানে তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেন, কিন্তু কুষ্টিয়ায় ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুতবেগে গেলেন? বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ থেকে যায়।’
