রংপুর: আরেকজন আওয়ামী লীগের নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
রংপুরের কাউনিয়ায় ফখরুল আলম ওরফে রতনকে (৫০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিচরণ লস্কর গ্রামে তাঁর বাড়ির সামনেই ঘটেছে ঘটনাটি।
ফখরুল আলম রতনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা শোক ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “রংপুর জেলাধীন কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড শাখা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল আলম রতনকে সোমবার বিকালে নিজ গ্রামে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এহেন নির্মম হত্যাকাণ্ডে শোক জানানোর ভাষা নেই, তবুও আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি।
ফকরুল আলম রতনের পরিবার সহ ১৪টি পরিবারের বাড়িঘর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুড়িয়ে দিয়েছিল এই সন্ত্রাসীরা।
এখন রতনকে হত্যার মাধ্যমে হরিচরণলস্কর গ্রামকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হলো”।
আওয়ামী লীগকে টার্গেট কিলিং করা হচ্ছে একথাও তিনি বলেন।
“২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট থেকে রতনের মতো অগণিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে টার্গেট কিলিং করা হচ্ছে। এমনকি কারাগারেও হত্যা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে”।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “খুনিদের মনে করিয়ে দিতে চাই, হত্যা করে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করা যাবে না।
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী শহীদ ফখরুল আলম রতনের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। রতনের মতো অগণিত শহীদের হত্যার ন্যায়বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। ইনশাল্লাহ”।
নিহত ফখরুল আলম ওই গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।
