ঢাকা: রবীন্দ্র বিদ্বেষ এই দেশে নতুন নয়। জঙ্গী, রাজাকার, পাকিস্তানিরা কোনোদিন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম শুনতে পারে না। ওদের কানে বজ্রপাত হয়!

ইসলামপন্থী জলসা বা কিছু উগ্র গোষ্ঠীর বক্তৃতায় রবীন্দ্রনাথকে ইসলামের সংস্কৃতির বিরোধী বা ভিন্ন মতাদর্শী হিসেবে তুলে ধরার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

ভীষণ অশ্লীল ভাষায় বিশ্বকবিকে বিদ্ধ করা হয়। তাতে কবির কিছু আসে যায় না, তিনি শুনছেন না। শুনলেও কোনোদিন এই পাকিস্তানিদের কথার প্রত্যুত্তর মনে হয় না করতেন। করলেও সেভাবেই।

কিন্তু প্রশ্ন শোনা না শোনায় না, প্রশ্ন আদর্শের, প্রশ্ন সততার, প্রশ্ন মানবিকতার, অনেক কিছুর।

রাজনীতির মাঠে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে গ্রহণ-বর্জনের বিস্তর খেলা চলেছে। ধর্ম-পরিচয়গত বিবেচনা তো ছিলই। ছিল মুখরোচক অনেক গালগল্প।

এমনকি জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের চেষ্টাও কখনো কখনো হয়েছে; কিন্তু সফলতা পায়নি। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক চর্চায় ‘ধর্মীয় অনুভূতি’র সহজ ব্যবহার এই বিতর্ককে জীবিত রেখেছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জাতীয় সঙ্গীত গায় না দেশের রাজাকাররা। এরা কতবড় শয়তান- সেটা কল্পনাও করা যাবে না।

আর জুলাই গণ অভ্যুত্থান যার নাম দেয়া হয়েছে, সেখানে অংশগ্রহণকারী এবং পরিচালক সকলেই রবীন্দ্র বিদ্বেষী।

এবং সেই জুলাই জঙ্গীদের নমুনা আবারো দেখা গেলো।

দেশে দাঙ্গা লাগনোর পায়তারায় যুক্ত আয়াশ নামের জুলাই জঙ্গী।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে গিয়েছিলো চুনকালি মাখাতে। আটক করা হয়েছে জুলাই জঙ্গি পাকি প্রেতাত্মা আয়াশকে।

রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব এ এন এম আয়াশকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে জানা যাবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *