ঢাকা: দেশ হাজার হাজার সমস্যা কোলে নিয়ে বসে আছে, মানুষের মুখে দুই বেলা ভাত জুটছে না, কল কারাখানা বন্ধ, গ্যাস নেই, জ্বালানি নেই, বিদ্যুৎ নেই- আর এইদিকে সরকার আছে মহামান্য আর মাননীয় নিয়ে।
মহামান্য, মাননীয় ধুয়ে পানি খেলে পেটের ক্ষুধা মিটবে দেশবাসীর? যারা বেকার হয়ে পড়েছে, লাখ লাখ শ্রমিক- তারা মাননীয় দিয়ে কী করবে?
অথচ এই সরকারের কোনো হুঁশ নেই। কাকে কী সম্বোধন করতে হবে, এখন সেটা শিখিয়ে দিচ্ছে।
এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি সম্বোধনটি না থাকলে বিদেশী রাষ্ট্রদূত” His Excellency” কাকে বলবেন। কেমন যেন পাগলের মেলা বসেছে দেশটায়।
উল্লেখযোগ্য যে, দাপ্তরিক যোগাযোগে ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানজনক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এইগুলো শব্দ এখন থেকে ব্যবহার করা যাবে না।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি হওয়া এক পরিপত্রে এই কথা জানানো হয়।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
আরও বলা হয়, সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং এর অধীন সব দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ প্রেরণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
