ঢাকা: প্রতিহিংসার জ্বালা তাদের এখনো মেটেনি। আর তাই ঝুলাই এর নামে এখনো মামলা দেয়া, হেনস্থা করা চলছে।
ঝুলাই কি সত্যি আন্দোলন ছিলো? এটা যে জঙ্গীবাদের দিকে দেশকে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা ছিলো, তা এখন সবাই জানে।
২০২৪ সালের জুলাই-এ আন্দোলন টা ছিল কেনো….??? কোটার জন্য…? না না না!
কোটা কি উঠে গেছে? সে কোটাতো এখনো আছে, জুলাইযোদ্ধা কোটা ! ৪৭তম বিসিএস -এ পুলিশ ও প্রশাসন ক্যাডারে ৮০% শিবির এর সদস্যরা নিয়োগ পেয়েছে।
যারা বিপ্লব বনেছে ডিপ স্টেটের টাকা খেয়ে,সেই বিপ্লবীরা কি বিপ্লবের ১মাসের মাথায় জনগণের দেওয়া ‘ত্রাণ’ এর টাকা মেরে দেয়..!!? বানভাসি অসহায় মানুষের মুখ দেখেও যারা টাকার লোভ সামলাতে পারে না, তারা আবার বিপ্লবী !!!
মূলত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে ফেলার অভিসন্ধি হয়েছে।
এবার ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান নাম দেয়া জঙ্গী অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অভিনেতা-অভিনেত্রী ও সাংবাদিকসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা দিয়েছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ) নামের একটি সামাজিক ও নাগরিক সংগঠন।
সে এক বিশাল তালিকা।
রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কাছে এই অভিযোগ জমা দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস।
অভিযোগকারী অন্যান্যরা হলেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহ্যমান শাহ্ আলম বাদশা, কেন্দ্রীয় সংগঠক মহাসিন, জুলাই আহত আবু বকর ছিদ্দিক ওরকে তুহিন ফরাজী।
অভিযুক্তরা হলেন- অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর, আজিজুল হাকিম, ফেরদৌস আহমেদ, রিয়াজ আহমেদ, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, অভিনেতা, সাজু খাদেম, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, মাহিয়া মাহি, নিপুণ আক্তার, তানভীন সুইটি, হৃদি হক, জ্যোতিকা জ্যোতি, সোহানা সাবা, পিয়া জান্নাতুল, শামীমা তুষ্টি, আশনা হাবীব ভাবনা, হিরো আলম, সুজাতা আজিম, চন্দন রেজা, মারিয়া কিসপট্টা, শান্তা ফারজানা, সাংবাদিক আনিস আলমগীর, মোমিন মেহেদী ও সোমা ইসলাম।
উক্ত অভিযোগে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যায় প্ররোচনা, সহযোগিতা, উস্কানিতে জড়িত রয়েছেন এইসব তারকারা।
এসব অভিযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আইনানুগ তদন্তের স্বার্থে এ অভিযোগ দাখিল করেছি।
