ঢাকা: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সংস্কৃতিজন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের লাল সূর্যের রূপকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শিল্পমানব মুস্তাফা মনোয়ার।

বাংলাদেশের চিত্রকলা, টেলিভিশন ও পাপেট আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আজ সকাল ১১টায় মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়।

শহীদ মিনারে সর্বপ্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ।

তারপর একে-একে শ্রদ্ধা জানায় দুরন্ত টেলিভিশন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউট, কর্মজীবী নারী, বাংলা একাডেমি, বটতলা, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, গোলাম মোস্তফা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, পাঠশালা, প্রাচ্যনাট, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, উদীচী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল, থিয়েটার, আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুল, নাট্যম রেপার্টরি, নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়, স্বনন, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, কণ্ঠশীলন, স্রোত আবৃত্তি সংসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং পেশাজীবী সংগঠন।

এদিকে, ব্যক্তিগতভাবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম, চিত্রশিল্পী আনোয়ার হোসেন, কেরামত মওলা, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, শংকর শাওনেয়াজ, কাজী তামান্না, গোলাম রব্বানী, শিল্পী আমানুল হক, খন্দকার শাহ আলম এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী আশরাফুল আলম এবং দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক জনেরা।

শহীদ মিনারে গার্ড অব অনার দেয়া হয় তাঁকে।

দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মুস্তাফা মনোয়ারকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এরপর তাঁর মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজার জন্য নেওয়া হয়। এবং বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *