ঢাকা: ঢাকার রিকশার পর্দার যুগ চলে এসেছে। আনন্দে নৃত্য করছে রাজাকার, মৌলবাদী গোষ্ঠী।
সাবাস বাংলাদেশ এগিয়ে যাও।আফগানিস্তান বেশি দূরে নয়। রিকশা পৌঁছে যাবে নিশ্চয়ই। একদম পৌঁছে যাবে।
অনেকে লিখেছেন ফেসবুকে, “স্মরণ হয়, আমাদের শিশুকালে পুরান ঢাকায় দেখেছি, মা- খালারা রিকশায় কোথাও গেলে রিকশাওয়ালা সিটের নিচ থেকে একটি পর্দা বের করে এভাবে রিকশার চারিদিকে মুড়িয়ে দিত”।
আসলে আমরা আবার পর্দা যুগে ফিরে যাচ্ছি।
এই যে উপসর্গ দেখছেন, এগুলো কিন্ত স্রেফ পর্দা করা নয়। এগুলো হলো মূলত “রোগের চিহ্ন”। কি রোগ?
জ্বি হা, আফগানিস্তান রোগ। হবে হবে, নিশ্চয়ই হবে এবং আমরা হবো তালেবান!
ফেসবুক খুললেই দেখা যাচ্ছে পর্দাঘেরা মহিলা রিকশা চলছে। ঠা ঠা পোড়া গরমে রাজধানীতে পর্দার ভিতরে মহিলারা বোরখা পরে! কি আর করার……!
ব্যাপারটা ভাবুন একবার—রাজধানীর তীব্র জ্যামে সবাই যখন গরমে সিদ্ধ হতে হতে নাভিশ্বাস তুলছে, তখন একদল ভাই বের করেছেন পরম শান্তির একখানা সমাধান: “চলন্ত পার্সোনাল কেবিন!”
স্বাগতম ২০২৬, বাংলাদেশ চড়ে বসেছে মোবাইল পর্দা-ক্যাবিন সার্ভিস এআই-রিকশায়!
ঢাকা শহরে এখন গাড়ি লাগে না, এসি লাগে না, শুধু একটা রিকশায় চারটি পর্দা টাঙিয়ে দিলেই হয়ে গেল VIP লাউঞ্জ!
যে হারে ঢাকঢোল পিটিয়ে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে, মনে হচ্ছে কোনো যুগান্তকারী বিপ্লব এলো!
সবচেয়ে মজার বিষয় কী জানেন, এতটাই সিকিউরিটি লেভেল যে পর্দা রিকশার ভেতর আপনি সিঙ্গারা খাচ্ছেন, নাকি ঘুমিয়ে নাক ডাকছেন—নাসার স্যাটেলাইটও তা শনাক্ত করতে পারবে না!
৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণিল শোভাযাত্রায় দেখা গেলো সেই রিকশা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে শুরু হওয়া ‘ঢাকা শোভাযাত্রা’য় পর্দাঘেরা এই ‘মহিলা রিকশা’ বিশেষভাবে নজর কাড়ে।
‘ঢাকা দিবস ২০২৬—হৃদয়ে ঢাকা’ এবং ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে এই শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। লক্ষ্মীবাজার থেকে শুরু হয়ে নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রাটি নগর ভবনে গিয়ে শেষ হয়।
