ঢাকা: ২০২৬ সালে একইসঙ্গে ডেঙ্গু ও হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি দেশ।

হাম, ডেঙ্গুতে লাগাতার মৃত্যু লেগে আছে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে জঙ্গী ইউনূস।

এখন হাসপাতালগুলিতে শয্যাসংকট তৈরি হয়েছে। দুই রোগে আক্রান্ত রোগীর উপচে পড়া ভিড়ের কারণে চিকিৎসকেরা স্বাভাবিক সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে দেশে ১২ হাজার ৫৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন ৪৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৮৬০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোগীর চাপ বাড়ায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে মারাত্মক শয্যার সংকট দেখা দিয়েছে।

অসুখ হলে মানুষ যদি হাসপাতালে গিয়ে জায়গা না পায়, তাহলে ভাবুন কী অবস্থাটা হয়!

অনেক হাসপাতালে মেঝেতে শয্যা পেতে ডেঙ্গু আক্রান্ত নারী, পুরুষ ও শিশুদের চিকিৎসা নিতে দেখা যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওই মাসে ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন রোগী ভর্তি হওয়ার পাশাপাশি ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নানা কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল বাড়ছে। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে।

নিপসমের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক গোলাম সারোয়ার বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, যার ধারাবাহিকতা অক্টোবরের শুরুতেও দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু এখন আর শুধু শহরকেন্দ্রিক নেই; প্রত্যন্ত গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *