ঢাকা: আজ ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তবে বাংলাদেশে নারীর নিরাপত্তা বিষয়টাই মরীচিকার মতো শোনায়। ভিতর ফাঁপা। মূলত এই দুনিয়ায় কথা দিয়ে কিছু হয় না। নারীর নিরাপত্তা, অধিকারে কাজ করতে না পারলে কথার ঢপে কিছুই হবে না।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’।

এ উপলক্ষে তিনি বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বিশেষ করে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল পাওয়া যায় না।

বলেন, নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খালেদা জিয়া।

শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে নারী বিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় ১৯৯৪ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য যেখানে নারী-পুরুষ সমান অধিকার ভোগ করবে এবং সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করতে পারবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *