ঢাকা: প্রবাসীদের ধাওয়া খেয়ে প্রেমিকা লামিয়াকে নিয়ে জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হুড়মুড় করে পালালেন জঙ্গী ইউনুস।

তাঁকে খুনী, মর সন্ত্রাসী ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংসকারী হিসেবে চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করা হয়। বারবার প্রশ্ন করা হচ্ছে, তিনি কেন এসেছেন? তখন ইউনূসের চোখে দেখা গিয়েছে শুধু আতঙ্ক, বিস্ফোরিত নেত্র।

বিশ্ব বাটপার, দুর্নীতিবাজ , অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী ডঃ ইউনুস ও তার বান্ধবী সোমবার দুপুরে জেএফকে এয়ারপোর্টে ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের কাছে লাঞ্ছিত হয়েছেন।

হওয়ারই কথা। কর্ম কথা বলে।

কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেইজে ভিডিওটি আপলোড হয়েছে। নীচে তার লিংক দেয়া হলো:

https://www.facebook.com/share/r/1Gz4q697e6/

জানা গিয়েছে, তিনি কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট ৭০১ দোহা থেকে সোমবার বিকেল ৪টায় জেএফকের ৮ নম্বর টার্মিনালে পৌঁছে হুইল চেয়ারে করে বাইরে বের হন।

প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাকে দেখা মাত্রই “ইউ আর টেরোরিষ্ট, ইউ কিল্ড বাংলাদেশী , ইউ ডেষ্ট্রয় বাংলাদেশ, গো ব‍্যাক” স্লোগান দিতে থাকেন, এসময় ডঃ ইউনুস লামিয়া মোর্শেদসহ দ্রুত ভিতরে চলে যান।

লামিয়া তো তাঁর প্রেমিকা। লামিয়া মোর্শেদকে তো সবাই চেনেন। ইউনূসের সকল বিদেশ সফরের সাথী এই লামিয়া মোর্শেদ।

মুহাম্মদ ইউনূস হাসিনার শাসন আমলের সময়ে জাতিকে আবেগতাড়িত করতে বলেছিলেন, তাঁর অসুস্থ স্ত্রী নাকি তার সহায়তা ছাড়া চলতে, ফিরতে বা খেতে পারেন না। হাসিনা তাকে জেলে পাঠালে নাকি তার স্ত্রী মারাত্মক সমস্যায় পড়ে যাবেন!

কত জানি স্ত্রীর প্রতি তাঁর দরদ। অথচ দিনরাত প্রেমিকা নিয়ে ঘুরছেন।

লামিয়ার কথা বা পরামর্শ ছাড়া ডক্টর ইউনূস কিছুই করেন না!

দেখুন খন্দকার ইসমাইলের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও। নিচে লিংকে ক্লিক করুন:

https://www.facebook.com/share/v/1FtMTRFGLi/

৮৫ বছরের বুড়ো অসুস্থ স্ত্রীকে ফেলে রেখে “বান্ধবী” লামিয়া মোর্শেদকে সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়ান।

ভিডিওতে দেখা গেছে, ইউনুস কিংবা লামিয়ার দুইজনের কারও মুখ থেকে একটা টু শব্দ পর্যন্ত বের হয় নাই। কারণ এই সারমেয় শাবকেরা জানে তারা দোষী।

ইউনুসের চোরের মতো ভয়ার্ত চেহারা দেখা গিয়েছে এদিন।

হাজার হাজার শিশুর হত্যাকারী এবং দেশ ধ্বংসকারী ডেভিল ইউনুস এবং তার সেবাদাসী লামিয়া মোরশেদ নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে প্রবাসী বাঙ্গালীদের তীব্র কটাক্ষের শিকার হয়ে পালিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন।

পৃথিবীর সকল দেশেই এখন থেকে হাজার হাজার শিশু হত্যাকারী বাংলাদেশ ধ্বংসকারী দানব ইউনুস প্রত্যাখ্যান হবে। এটাই নিয়তি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক সম্মেলনে হাজার হাজার শিশু হত্যার জন্য দানব ইউনুসকে দায়ী করে আমন্ত্রিত বিশেষ বক্তার তালিকা থেকে সুদখোর ইউনূসের নাম বাদ দেয়া হয়, যা আন্তর্জাতিকভাবে এই শিশু হত্যাকারীর অপরাধ প্রমাণ করে।

যতটুকু জানা গিয়েছে, মব মাস্টার খুনী ইউনুসকে নিউইয়র্ক JFK এয়ারপোর্টে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিহত করা হয়।

এই প্রতিরোধ লড়াইতে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজান চৌধুরী, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, জ্যাকসন হাইটস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর কায়সার ও যুবলীগ নেতা সাগর।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *