লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১১টি বসতঘর। এর মধ্যে একটি ঘরে পেট্রল ছিটিয়ে দিয়ে আগুন দেওয়ার পর তা আশপাশের বসতঘরগুলোয় ছড়িয়ে যায়। এমনটাই অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা। বিএনপির আমলে একজন দুজন মারা হয় না, পুরো পরিবারসহ মারা হয়, খেয়াল করে দেখবেন।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ রোববার ভোর সাড়ে চারটা নাগাদ উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজারসংলগ্ন আশহক ব্যাপারীবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। আগুনে ঘরগুলোর আসবাব, কাপড়চোপড়, টাকাসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস পুড়ে গিয়েছে।

পুলিশে সোপর্দ করা ওই ব্যক্তির নাম হলো মো. সোহেল (৪০)। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা। তাঁর নিজের ঘরও আগুনে পুড়ে গেছে। মারধরে আহত সোহেলকে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এই সোহেলের ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। তিনি পেট্রল ছিটিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

এখন তিনি কি সব ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়ার জন্য ফন্দি করেই এটা করেছেন?

কত মানুষ আজ একসাথে নিঃস্ব হয়ে গেছে।

এক কৃষক বলেন, ‘সোহেল পেট্রল ছিটিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আমার ঘরও পুড়ে যায়। ঘরে থাকা সব মালামাল ও টাকাপয়সা পুড়ে গেছে। এক মুঠো চাল, এমনকি একটি কাপড়ও বের করতে পারিনি।’

রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও লক্ষ্মীপুরের একটি ইউনিট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এক ঘণ্টা চেষ্টা করে সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বি এম শাহজালাল কিসমত বলেন, ‘সোহেল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রথমে পেট্রল দিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *