ঢাকা: লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা শুধু পরিবার না, সারা দেশের শিল্পে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে ।
পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করতে পারেন না।
ধামরাইয়ের বালিথা এলাকায় অবস্থিত রাইজিং,AKH প্রায় পোশাক কারখানায় টানা লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় পুরো কারখানায় কাজ বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, নিয়মিতভাবে প্রতি এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, আবার দুই ঘণ্টা পর সাময়িকভাবে আসছে। বিদ্যুতের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে কাজ কীভাবে করবে মানুষ?
এই অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে উৎপাদন ব্যবস্থায় চরম অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নির্ধারিত অর্ডার সময়মতো সম্পন্ন করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ।
আর জেনারেটর চালু রাখতে তো জ্বালানি তেল লাগবে। সেটাও সংকট।
স্থানীয় পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত ডিজেল না থাকায় জেনারেটরও দীর্ঘ সময় ধরে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে গরম ও অস্বস্তিকর পরিবেশে শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এদিকে, ঢাকার সাভার ও এর আশপাশে শিল্পাঞ্চল এলাকায় লোডশেডিং, তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে জনজীবন ও শিল্প উৎপাদন চরম সংকটের মুখে পড়েছে। এত সমস্যায় আসলে জনগণ অতীতে কবে পড়েছে সেটা তাঁরা মনে করতে পারছেন না।
সাভার পৌরসভা ও আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে দিনে-রাতে গড়ে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।
এই বৈশাখের ভ্যাপসা গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের।
যখন তখন চলে যাচ্ছে কারেন্ট। রাতে মানুষের ঘুম নেই। দিনে কাজ নেই।
সাভার পৌর এলাকার বাসিন্দা হামিদ মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ যায়। রাতে ঘুমানো যায় না, দিনে কাজ করা যায় না। মানুষের রীতিমতো সহ্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।
