ঢাকা: সাবেক এমপি খন্দকার আজিজুল হক আরজুর উপর অত্যাচার করা কতটুকু শোভনীয়? একজন বয়স্ক, অসুস্থ ব্যক্তি!
গরিব দুঃখীদের পাশে থেকে রাজনীতি করেছেন সারাজীবন, দেখেন নাই স্বার্থ, দেখেন নাই দলমত, এমন নেতাদের যদি আটক করে সমাজটা আজ কোথায়?;
অত্যাচার করলে ক্ষমতায় থাকা সম্ভব? ক্ষমতায় থাকতে হয় মানবতা দিয়ে সেবা দিয়ে উন্নয়ন দিয়ে।
সাবেক এমপি আজিজুল হক আরজু গ্রেপ্তার
পাবনা-২ (সুজানগর–বেড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে গ্রেপ্তারের ঘটনা ধিক্কার জানাচ্ছে জনগণ।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া এলাকা থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লালমাটিয়ার মীনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
আটকের সময় ধস্তাধস্তিতে তিনি আহতও হন।
জুলাই জঙ্গী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী রাজু আহমেদকে (২৪) হত্যার অভিযোগে করা মামলায় পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পাবনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন আজিজুল হক আরজু। তাঁর বাড়ি পাবনার আমিনপুর থানার নাটিয়াবাড়ী এলাকায়।
