ঢাকা: স্বৈরাচারী শাসন মূলত কাকে বলে সেটা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে দেখছে মানুষ। দেখলেও কিছু বলার উপায় নেই। বললেই হাজতবাস। সাথী আক্তারের মতো অবস্থা হবে!
তবে বিএনপি জামাত যা ইচ্ছা তাই করবে। জঙ্গী ইউনূসের আমল থেকে এখন অবধি একভাবে চলছে দেশ।
আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের কোন প্রকার বাছবিচার না করে গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। কয়েক হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার এড়াতে ঘরছাড়া হয়েছেন।
ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, চাঁদাবাজি তো আছেই।
এবার সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের চারজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সবার ঐ এক দোষ। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা, হত্যা।
আজ, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে তিনজনকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলা ও হত্যা মামলায় এবং আরেকজনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার জানপুর মহল্লার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে মো. লিটন শেখ (৪৫), দত্তবাড়ি মহল্লার মৃত সাইদুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী ইউনুস আলী নিশাত ওরফে আগুন শেখ (৩৮), চক কোবদাসপাড়া মহল্লার মৃত শওকত আলীর শেখের ছেলে যুবলীগ কর্মী চান শেখ (৪৫) এবং সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মুলিবাড়ি গ্রামের কোরবান আলীর ছেলে মো. আরমান (৩৩)।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান জানান, বুধবার রাতে পৌর এলাকার বিভিন্ন মহল্লায় অভিযান চালিয়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও হত্যা মামলায় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
