ঢাকা: বাংলাদেশে হিন্দু শিক্ষক, হিন্দু ডাক্তার, হিন্দু সাংবাদিক, হিন্দু ছাত্র-ছাত্রী ও হিন্দু ব্যবসায়ীদের মৃত্যুমিছিল চলছে।
বাংলাদেশ থেকে হিন্দু শূন্য করার জন্য টার্গেট কিলিং নয় সেটা বলবেন কী করে?
এইবার ঢাকার চাঁনখারপুল এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই তরুণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরে।
তাঁর পরিবার সিলেটের শিবগঞ্জ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চাঁনখারপুল এলাকার পি কে গাঙ্গুলি লেইনের একটি ভবনের চতুর্থ তলার একটি মেস থেকে অনিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান ত্রিমাত্রিক ও নকশা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল।
অনিকের সহপাঠী সুবাস পাল বলেন, “ঘরের ফ্যান ঝোলানোর রডের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় অনিককে পাওয়া যায়। পরে সহপাঠীরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
“ঘটনা শোনার পরপরই আমি মেডিকেলে যাই। তার পরিবারকে জানানো হলে তারা ঢাকার পথে রওয়ানা দেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ আত্মহত্যা হিসেবেই ধারণা করছে। সকল প্রক্রিয়া সেরে মৃতদেহ সৎকারের জন্য গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে”, যোগ করেন সুবাস।
বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, এটা আত্মহত্যার ঘটনা। তার পরিবারের সদস্যরা আসছেন। তারা আসার পর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
পুলিশ তো সমস্ত সনাতনীদের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিচ্ছে! অথচ প্রতিটা ঘটনা প্রশ্নবোধক!
